দেশ

দেশে ক্রমেই চোখ রাঙাচ্ছে ওমিক্রন, সতর্কবার্তা কেন্দ্রের, ফের কী লকডাউনের আশঙ্কা?

ভারতের ওমিক্রনের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। গতকাল, রবিবার শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, দেশে ওমিক্রনের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৫ জনে। সম্প্রতি, ইংল্যান্ড থেকে ফেরা গুজরাতের এক ব্যক্তির শরীরে মিলেছে ওমিক্রন। এক নাবালকের শরীরেও পাওয়া গিয়েছে নতুন এই ভ্যারিয়েন্ট।

বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, নতুন এই ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়লে দৈনিক ১৪ লক্ষ মানুষ আক্রান্ত হতে পারেন। তবে আতঙ্কিত না হয়ে, সাধারণ মানুষকে সচেতন হওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। দ্রুত টিকা নেওয়া ও বিধিনিষেধ মেনে চলার কথাও বলা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে।

নানান রাজ্যগুলিকে চিঠি দিয়ে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ জানিয়েছেন যে যাদের টিকার প্রথম ডোজ হয়ে গিয়েছে, তাদের যাতে দ্রুত দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। প্রয়োজনে সপ্তাহের শেষ লকডাউন বা বিধিনিষেধ আরোপ করা যেতে পারে।

কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত ১১টি রাজ্যে করোনা ভাইরাসের এই নতুন প্রজাতি দেখা গিয়েছে। এর মধ্যে সবথেকে বেশি আক্রান্তের সংখ্যা মহারাষ্ট্রে। সেখানে এখনও পর্যন্ত নতুন এই ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৮ জন। অন্যদিকে, দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে দিল্লি। সেখানে এই ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তের সংখ্যা ১২ জন।

এছাড়াও অন্যান্য রাজ্যগুলির মধ্যে তেলেঙ্গানা ২০, রাজস্থানে ১৭, কর্নাটকে ১৪, কেরলে ১১ জন, গুজরাতে ৯, তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ, চণ্ডীগড় ও পশ্চিমবঙ্গে একজন করে ওমিক্রন আক্রান্তের খবর মিলেছে। গত শনিবার মহারাষ্ট্র নতুন করে ৮ জন ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তেলেঙ্গানায় আক্রান্তের সংখ্যা ৮ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ জনে।

গত ২৪শে নভেম্বর প্রথম ওমিক্রন আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া যায় দক্ষিণ আফ্রিকায়। ভারতে প্রথম ওমিক্রন আক্রান্তের খবর মেলে ২রা ডিসেম্বর। কর্নাটকে প্রথম এই ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ে।

এদিকে, ওমিক্রন রুখতে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রধান হাতিয়ার  হল টিকাকরণ। ইতিমধ্যেই দেশে ১৩৭ কোটি ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় টিকা দেওয়া হয়েছে ৭৬ লক্ষ মানুষকে। এর পাশাপাশি প্রথম কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে ১০০ শতাংশ টিকাকরণ সম্পন্ন হয়েছে।

Related Articles

Back to top button