সব খবর সবার আগে।

রাম জন্মভূমি ট্রাস্টের হাতে বিপুল সম্পত্তি তুলে দিলেন ট্রাস্টের অধ্যক্ষ

শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের হাতে এবার ১ কুইন্টাল সোনা ও রুপো তুলে দিলেন ট্রাস্টের অধ্যক্ষ মহন্ত নৃত্যগোপাল দাস। শনিবার তিনি এই সোনা ও রুপো মহাসচিব চম্পত রায়কে দেন। দীর্ঘদিন ধরে ভক্তরা রাম মন্দির ট্রাস্টের অধ্যক্ষ ও মহাসচিবকে রাম মন্দির স্থাপনের উদ্দেশ্যে টাকা দান করে আসছেন। সেই টাকার পরিমাণ এতদিনে ৩০ কোটিতে দাঁড়িয়েছে। এছাড়াও রাম লালার আধার শিলা স্থাপিত হওয়ার আগে সোনা ও রুপোও দান করেছিলেন রাম মন্দির ট্রাস্টের অধ্যক্ষকে।

রামজন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের মহাসচিব চম্পত রায় জানিয়েছেন, প্রচুর ভক্ত প্রচুর রুপো দান করছিলেন৷ ভক্ত মণিরাম দাস ছাবনী ৪০ কিলো রুপো দিয়েছিলেন৷ এছাড়াও অনেক ভক্তই প্রচুর সোনা ও রুপো দান করেছেন। এই নিয়েই মোট সোনা ও রুপোর পরিমাণ ১ কুইন্টালে পৌঁছে গিয়েছে। তাই এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির সুরক্ষার কথা ভেবে এই সোনা ও রুপো ট্রাস্টের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

৫ই আগস্ট প্রধানমন্ত্রী রাম মন্দিরের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছিলেন৷ যদিও এর অনেক আগে থেকেই ভক্তরা রাম মন্দিরের জন্য সোনা ও রুপো দান করে আসছেন। এবারে ট্রাস্ট সেটা সরকারি ভাবে গ্রহণ করে তার ঘোষণা করা শুরু করেছে। অধ্যক্ষ মহন্ত নৃত্যগোপাল দাস জানিয়েছেন রামমন্দির নির্মাণের জন্য ভক্তরা এই টাকা দিচ্ছেন৷ তাই দান আসা মাত্রই তা ট্রাস্টের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে ৷ তবে মোট কত সোনা-রুপো জমা হয়েছে তার পুরো হিসেব এখনই বলা সম্ভব নয়।

শুধু তাই নয়, অযোধ্যায় রাম মন্দিরের জন্য এর আগে সমস্ত তীর্থ ক্ষেত্রের মাটি ও সমস্ত নদীর জল নিয়ে আসা হয়েছিল। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হওয়ার পরেও তা এখনো এসেই চলেছে। ভারতের প্রাচীন তীর্থক্ষেত্রের, সমস্ত সমুদ্র সরোবর, কুণ্ড ও নদীর জল প্রতিনিয়ত আসছে৷

শনিবার বুলন্দশহরের দ্বাদশ মহা লিঙ্গেশ্বর মহাপীঠ ১১ বছরের মন্ত্রপূত রুদ্রাক্ষ, ২১ বছরের মন্ত্রপূত রুপোর মুদ্রা, ১২ জ্যোতির্লিঙ্গের মাটি, জল , নাগনাগিনীদের থেকে বাস্তুদোষ মুক্তকারক যন্ত্র, নটি রত্ন সমস্ত কিছু রাম জন্মভূমি ট্রাস্টের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। ট্রাস্টের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে এই সমস্ত জিনিসই মাটির তলায় যেখানে রাম মন্দিরের ভিত্তি স্থাপন হয়েছে সেখানে পুঁতে দেওয়া হবে। এই ভিত তৈরির কাজ শেষ হলেই রাম মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু হবে।

মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে মন্দিরের কর্মচারীরা এবার প্রতি বাড়িতে যাবেন দান সংগ্রহের জন্য। ২০২২ এর রাম নবমীতে রামলালার মূর্তি গর্ভগৃহে স্থাপন করার লক্ষ্য নিয়ে রাম মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু হবে।

You might also like
Leave a Comment