সব খবর সবার আগে।

CoronaVirus: করোনার বিরুদ্ধে ২১ দিনের কুরুক্ষেত্র ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

“মহাভারতের যুদ্ধ শেষ হয়েছিল ১৮ দিনে। আর করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ২১ দিনে শেষ হবে।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এই কথা যেন সারা দেশে প্রাণসঞ্চার করে দিয়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যেবেলা জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানান করোনাভাইরাস প্রতিরোধে দেশজুড়ে ২১ দিনের লকডাউন ঘোষণা করা হল। অর্থাৎ ২৫ শে মার্চ বুধবার থেকে ১৪ এপ্রিল মঙ্গলবার পর্যন্ত সমস্ত রকম জরুরি পরিষেবা ছাড়া বাকি সবকিছু স্থগিত থাকবে। এই সময় কাউকে জরুরি কাজ ছাড়া বাড়ির বাইরে বেরতেও নিষেধ করেন তিনি।

বুধবার নিজের নির্বাচনী ক্ষেত্র বারাণসীর মানুষদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। এই পরিস্থিতিতে সেখানকার মানুষের খোঁজ নেন তিনি। প্রত্যেকের সুবিধা অসুবিধার কথা জানতে চান এবং প্রয়োজনে প্রশাসন সর্বদা তাঁদের পাশে আছেন সেই আশ্বাস দেন।

তারপরেই মোদী জানান, ডাক্তারদের যে বিভিন্ন জায়গায় হেনস্থা হতে হচ্ছে তাতে তিনি খুবই দুঃখিত এবং লজ্জিত। ডাক্তারা এখন মানুষের ভগবান। শুধু ডাক্তার নয়, জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত সব ব্যক্তিরাই এই ভয়াল পরিস্হিতিতে ২৪ ঘন্টা মানুষের সেবায় নিয়োজিত। তাই তারাও সম্মান পাওয়ার অধিকার রাখেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “এই সংকটের পরিস্থিতিতে যাঁরা সাদা কোট গায়ে দিয়ে আছেন, তাঁরা ভগবানের আর এক রূপ। নিজেদের জীবনের পরোয়া না করে অন্যদের জীবন বাঁচাতে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। শুধু ডাক্তার নয়, করোনা আক্রান্ত বিদেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে ভারতীয়দের ফিরিয়ে আনা এয়ার ইন্ডিয়ার কর্মী, স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীরাই হচ্ছেন এই সময়ের আসল হিরো। কিন্তু এদেরই এখন নানা ভাবে নানান কটু পরিস্হিতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে। আমি শুনছি, এঁদের হেনস্থা করা হচ্ছে। অপমান করা হচ্ছে। আমি কিন্তু খুব গুরুত্ব দিয়ে এই বিষয়গুলো দেখছি। এটা খুবই সংবেদনশীল বিষয়। আমি ইতিমধ্যেই সব রাজ্য সরকারকে বলে দিয়েছি, যাঁরা এই কাণ্ড ঘটাচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে হবে। করোনা মোকাবিলায় সবাই একটু সহানুভূতি দেখান।”

ইতিমধ্যেই ভারতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৫৬২। মৃত্যু হয়েছে ১১ জনের। এছাড়া দু’জন বিদেশি নাগরিকেরও মৃত্যু হয়েছে। এই পরিস্থিতি যাতে আরও খারাপের দিকে না যায়, তার জন্যই লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সব বিষয়ের উপর নজর দেওয়ার জন্য। এখনো পর্যন্ত এই মারণ রোগ স্টেজ-৩ তে যায়নি । তাই প্রশাসন একান্ত ভাবে সচেষ্ট এই রোগ যেন হাতের বাইরে না চলে যায়।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More