সব খবর সবার আগে।

নয়া শিক্ষানীতি নিয়ে পড়ুয়াদের সঙ্গে আলোচনায় মোদী, বিজ্ঞানই শেষ কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

একুশ শতকে বিজ্ঞানকে গুরুত্ব দিতে হবে। এখন নয়া যুগ। এরকমটাই নতুন যুগের পড়ুয়াদের বোঝালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। স্মার্ট ইন্ডিয়া হ্যাকাথন নামে একটি প্রতিযোগিতা হয় যেখানে নানা সমস্যার সমাধান খুঁজতে তৈরি করে দেওয়া হয়। শনিবার সেই প্রতিযোগিতার শেষ পর্যায় ছিল। সেখানেই অংশগ্রহণকারী পড়ুয়াদের সঙ্গে আলাপচারিতায় মেতে উঠলেন নরেন্দ্র মোদী। প্রায় ৪ লক্ষ ৫০ হাজার ছাত্রছাত্রী এই বছর এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছিলেন যেখানে উদ্ভাবনী শক্তিই শেষ কথা। তাঁদের মধ্যে আজকের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছেন ১০ হাজার প্রতিযোগী।

শনিবার এই ১০ হাজার জন প্রতিযোগীর সঙ্গে আলাপচারিতায় মেতে ওঠেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানের শুরুতে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল। তিনি জানান যে প্রথম স্থানাধিকারী এক লক্ষ টাকা নগদ পুরস্কার পাবে এছাড়া দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারীর জন্য থাকছে নগদ ৭৫ ও ৫০ হাজার টাকার পুরস্কার।

প্রধানমন্ত্রী এদিন জানিয়েছেন যে দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা মুশকিল হয়ে পড়েছিল। দেশের নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, এবার থেকে ভারী স্কুল ব্যাগ ছেড়ে আজীবন কাজে লাগবে এরকম জ্ঞান ও শিক্ষাই দেশের পড়ুয়াদের দেওয়া হবে। মুখস্থ বিদ্যা নয়, বিশ্লেষণী ক্ষমতাই শেষ কথা বলবে।

এরপর পড়ুয়ারা নিজেদের তৈরি বিভিন্ন আবিষ্কার প্রধানমন্ত্রীকে দেখাতে থাকেন। ‌ প্রধানমন্ত্রীও উৎসাহের সঙ্গে তাদের আবিষ্কারগুলো দেখতে শুরু করেন। এক পড়ুয়া যেমন বর্ষার আগাম অনুমান করতে সক্ষম একটি মডেলের কথা বলেন। ওই পড়ুয়া জানান, স্যাটেলাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে তাঁর মডেলটি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিতে সক্ষম। প্রধানমন্ত্রী জানান যে দেশের কৃষকদের পক্ষে এই আবিষ্কার অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করবে।

মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের আওতায় থাকা ‘All India Council for Technical Education’-এর (AICTE) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে এদিন সবথেকে বেশি চর্চা হয় একটি মডেল নিয়ে। এক পড়ুয়া ‘realtime facial recognition system’ বা মুখ চিনে নেওয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন একটি পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন। এই বিশেষ সফটওয়ারটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সম্পন্ন। কেউ মুখ ঢেকে রাখলেও শুধুমাত্র চোখ দেখে এই সফটওয়্যারটি মানুষকে চিনে নিতে পারে। এছাড়া নাকের সঙ্গে চোখের দূরত্ব দেখেও এই কাজ করতে সক্ষম সিস্টেমটি। আমাদের দেশের পড়ুয়ারাও যে কোন ক্ষেত্রেই পিছিয়ে নেই তা এই বছরের হ্যাকাথন আবার বুঝিয়ে দিল।

_taboola.push({mode:'thumbnails-a', container:'taboola-below-article', placement:'below-article', target_type: 'mix'}); window._taboola = window._taboola || []; _taboola.push({mode:'thumbnails-rr', container:'taboola-below-article-second', placement:'below-article-2nd', target_type: 'mix'});
You might also like
Leave a Comment