সব খবর সবার আগে।

নৃশংস!! ধর্ষণের চিহ্ন না রাখতে গিয়ে নবজাতককে পুড়িয়ে মারলো ধর্ষক বাবা৷

0 0

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

ফের একবার প্রশ্নের মুখে গুজরাটের আইন শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা। এক ভয়ঙ্কর ঘটনার সাক্ষী হলো এবার গুজরাট বাসী। নিজের কুকর্মের কোনো চিহ্ন রাখবেনা আর তাই নবজাতকে পুড়িয়ে মারলো তারই ধর্ষক পিতা৷ ঘটনাটি ঘটেছে গুজরাটের সুরাটে।

Check out best Bengal Football website

সূত্রের খবর, সুরাটের এক আদিবাসী ১৭ বছর বয়সী মেয়ে প্রথমে ধর্ষণ করে পেশায় টেম্পো চালক অশোক রাথোড নামে এক চালক৷ এরপরও তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি তাঁর সঙ্গে আরও কয়েকবার সহবাস করেন সেই টেম্পো চালক। এরপর ঘটবাচক্রে সেই নাবালিকা মেয়েটি গর্ভবতী হয়ে গেলে সেই টেম্পো চালক তাকে বিয়ে করতে অসম্মত হয় এবং কায়দা করে তারই পরিচিত এক চিকিৎসকের সঙ্গে হাত মিলিয়ে সেই ধর্ষিতা মায়ের কোলে আসা নবজাতককে পুড়িয়ে মারে।

এই প্রসঙ্গে ধর্ষিতার মায়ের অভিযোগ যে, ২০১৭ সালে একটি খামারে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করে অশোক রাথোড। এরপরও আরও কয়েকবার একই ভাবে অশোক সহবাস করে তার মেয়ের সঙ্গে৷ এরপর রাথোড কথা দেয় যে সে সেই নাবালিকা মেয়েটিকে বিয়ে করবে৷ কিন্তু এরপর ২০১৮ সালে হঠাৎই সেই নির্যাতিতা নাবালিকা নিজেকে গর্ভবতী বলে ধর্ষক যুবকে জানালে সে তাকে বিয়ে করার আশ্বাস দেয়। কিন্তু দিন গড়িয়ে গেলেও সে বিয়ে আর করেনা৷ এরপর সেই নাবালিকার মা তাঁর গর্ভবতী হওয়ার কথা জানতে পারলে তাঁরা অভিযুক্তের বাড়িতে বিয়ে প্রসঙ্গে কথা বলতে যান। অভিযোগ, সেসময় অভিযুক্ত অশোক রাথোড সমস্ত কিছু অস্বীকার করে এবং বিয়েতে অসম্মত হয়। অবশ্য এরপর সেই অভিযুক্ত নিজেই সেই নাবালিকা মেয়েকে নিয়ে তাঁর টেম্পোর মালিকের কাছে যায় এবং সেই মালিক এক ডাক্তারের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ করিয়ে দেয়। এরপর সেই ডাক্তারের ক্লিনিকেই এক পুত্র সন্তানের জন্ম দেন সেই নির্যাতিতা নাবালিকা। অভিযোগ যে, সেই ধর্ষক নিজের কুকর্মের প্রমাণ রাখবেনা, আর তাই নিজের নবজাতক শিশুকে নিজেই ডাক্তারের সঙ্গে হাত মিলিয়ে পুড়িয়ে মেরেফেলেন তিনি।

এরপরই নাবালিকার বাড়ির তরফে অভিযোগ জানানো হয় থানায়৷ পুলিশ তদন্ত করে জানতে পারে যে, এই ঘটনায় জড়িত রয়েছে মোট চার জন, ধর্ষক অশোক রাথোড, মালিক মহেশ প্যাটেল, চিকিৎসক রাজেশ গুজরাটি এবং ধর্ষকের আরেক বন্ধু। এদের ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ, দায়ের করা হয়েছে মামলার৷ তবুও এক নবজাতকে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারার নৃশংসতা কিছুতেই ভুলতে পারছেন গুজরাটের অধিবাসীরা।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More