দেশ

পশ্চিমবঙ্গ ও মহারাষ্ট্র পৃথক আলাদা দেশ হোক, অদ্ভুত দাবী নিয়ে মমতা-উদ্ধবকে চিঠি খালিস্তানপন্থী সংগঠনের

ভারত থেকে আলাদা হয়ে দুটি পৃথক দেশে হিসেবে পরিচিত হোক পশ্চিমবঙ্গ ও মহারাষ্ট্র, এমনই অদ্ভুত দাবী জানাল খালিস্তানপন্থী সংগঠন শিখ ফোর জাস্টিস। শুধু তাই-ই নয়, এই দাবীর স্বপক্ষে তারা এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চিঠিও দিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরেকে দেওয়া এই চিঠিতে খালিস্তান সংগঠন দাবী করে যে ভারতের অংশ হিসেবে না থেকে, এই দুই রাজ্যের উচিত আলাদা রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে ওঠা।

খুব দ্রুত এই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত বাংলা ও মহারাষ্ট্রের, এমনই দাবী করে শিখ ফর জাস্টিস। এই নিয়ে তারা যেন দ্রুত কেন্দ্রের সঙ্গে কথা বলে, এও উল্লেখ করা হয় চিঠিতে। তাদের দাবী, বাংলার সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, ভাষা, সভ্যতাকে বাঁচাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উচিত ভারতের থেকে আলাদা হয়ে গিয়ে পৃথক দেশ তৈরি করা। অন্যদিকে, উদ্ধব ঠাকরেকেও জানানো হয়েছে যে মহারাষ্ট্রের সভ্যতা ও ঐতিহ্যকে বাঁচাতে, নিজেদের আলাদা রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিতি পাওয়া উচিত ওই রাজ্যের।

আরও পড়ুন- ‘রাম আমার রাম তোমার’, স্বস্তিকার পোস্ট ঘিরে জল্পনা! তবে কী এবার গেরুয়া শিবিরে অভিনেত্রী? 

শিখ ফর জাস্টিসের জেনারেল কাউন্সেল গুরুপতওয়ন্ত সিং পান্নুমের দাবী, বাংলা ও মহারাষ্ট্রের সংস্কৃতির সুবিধা নিচ্ছে দেশ, সে সুযোগ দেওয়া উচিত নয়। এর আগে এই সংগঠন অনেক অদ্ভুত দাবী জানিয়ে শিরোনামে উঠে আসে। ২০১৯ সালে এই সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে কেন্দ্র সরকার।

এই সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য ছিল ২০২১ সালের গণভোটের মাধ্যমে সদস্য পদ বৃদ্ধি করা। এসএফজে-র আইনি উপদেষ্টা আরও জানান যে এই সংগঠনটি ২০২১ সালের গণভোটের প্রচার চালাচ্ছে। একটি ভিডিওতে পান্নুমকে বলতেস শোনা যায় যে কেন্দ্র সরকার নাকি জোর করে তাদের আন্দোলনকে দমন করার চেষ্টা করছে। তিনি আরও বলেন যে তারা বুলেট নয়, ব্যালেটে বিশ্বাসী।

আরও পড়ুন- একই এলাকার মধ্যে দুটি পৃথক সংখ্যালঘু সেল, তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দের তরজা, কটাক্ষ বিজেপির

গত বছর আগস্ট মাসে এই খালিস্তানপন্থী সংগঠনটি একটি সমাবেশে শিখদের জিন্য আলাদা দেশের দাবী জানিয়েছিল। এমনকি, ২০২০ সালে স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লায় খালিস্তানের পতাকা উত্তোলন করার হুমকিও দেয় এক সংগঠন। শিখ ফর জাস্টিসের তরফে বলা হয় যে এই কাজটি করতে পারবে, তাঁকে ১ লক্ষ ২৫ হাজার মার্কিন ডলার দিয়ে পুরস্কৃত করা হবে।

Related Articles

Back to top button