সব খবর সবার আগে।

মেঘালয়ে তৃণমূলকে রুখতে তৎপর কংগ্রেস, সাংমা-পালাদের সঙ্গে বৈঠক সারলেন সোনিয়া-রাহুল

মেঘালয়ে যাতে তৃণমূল কোনওভাবেই প্রভাব  বিস্তার করতে না পারে, এই কারণে বেশ তৎপরতা দেখালেন সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধী। তারা নিজেদের এই পরিকল্পনায় সফল হবেন কী না, তা তো সময়ই বলবে। তবে চেষ্টা করতে কোনও কসুর করছেন তা তারা।

বিবাদ মেটানোর জন্য তাই এবার মেঘালয়ের দুই যুযুধান পক্ষ মুকুল সাংমা ও ভিনসেন্ট এইচ পালার সঙ্গে বৈঠক করলেন কংগ্রেস নেতারা। মেঘালয়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিধানসভার বিরোধী দলনেতা সাংমা যদিও এই বৈঠককে ইতিবাচক বলেই গণ্য করেছেন।

আগামী ৩০শে অক্টোবর মেঘালয়ের তিন বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন। এই উপনির্বাচনে যাতে কংগ্রেস প্রদেশ সভাপতি পালা ও সাংমা জোটবদ্ধ হয়ে লড়াই করে, এমনই আর্জি জানান সোনিয়া গান্ধী। এমনকি তাদের নিজেদের মধ্যেকার দ্বন্দ্ব মিটিয়ে নেওয়ার আবেদনও জানিয়েছেন তিনি। বর্তমানে মেঘালয়ে কংগ্রেসে যে ধিকিধিকি আগুন জ্বলছে, তা নেভানোর জন্য মরিয়া সোনিয়ারা।

সে রাজ্যের কংগ্রেসের একাংশের দাবী, পালাকে যখন প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি নিয়োগ করা হয়, সেই সময় সাংমার সঙ্গে কোনও সঙ্গে আলোচনা করা হয়নি বলে বেশ ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন সাংমা তিনি। এমনকী এও শোনা যায় যে সাংমা হয়ত নিজেরঘনিষ্ঠ বিধায়কদের সাংমা তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন।

তবে কিছুদিন আগেই সাংমা জানান, “আপনাকে কে বলেছে এটা? নিশ্চিত যখন কিছু হয়নি, তখনও কেন মানুষ এত কানাঘুষো চালিয়ে যান? আমি আগেও বলেছি, আমি প্রথমে (ঘনিষ্ঠ বিধায়কদের) সঙ্গে দেখা করব। তাই এই মুহূর্তে আমি আপনাকে কিছু বলতে পারব না”।

সেই দলবদলের জল্পনার মধ্যেই সাংমা আবার সোনিয়া-রাহুলের সঙ্গে বৈঠক করেন। এরপর তিনি জানান, “যে বিষয়গুলির ক্ষেত্রে সংশোধনের প্রয়োজন ছিল, তা নিয়ে রাহুল এবং আমাদের দলের সভানেত্রীর সঙ্গে বিস্তারিতভাবে আলোচনা হয়েছে”। এরইসঙ্গে তিনি আরও বলেন যে গণতন্ত্র বজায় রাখতে সমস্ত সদস্যদের নিশ্চিত করতে হবে যে দলের মতাদর্শের সঙ্গে যেন কোনওরকম আপস করা না হয়।

You might also like
Comments
Loading...