সব খবর সবার আগে।

মানবিক চোর! ‘দুঃখিত, জানতাম না এখানে করোনার ওষুধ আছে’, চুরি করেও চিঠি লিখে ওষুধ ফিরিয়ে দিল চোর

টাকা,  যন্ত্রপাতি কোন‌ও কিছুরই ক্ষতি করেনি সে। ‌ শুধু উঠিয়ে নিয়ে গিয়েছিল ১৭০০ ডোজ করোনা টিকা। ভারতবর্ষে চলমান মহামারীর ভয়াবহতার মধ্যে যা কার্যত  মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ার মতো অবস্থায় ফেলে স্বাস্থ্যকর্মীদের।

ওষুধ নেই, পর্যাপ্ত অক্সিজেন নেই, সেখানে যদি টিকাও না থাকে! অবস্থা কি হতে পারে তা ভেবেই চিন্তায় মুষড়ে পড়েন তাঁরা।

তবে এ চোর যে সে চোর নয়! বড্ড মানবিক! আর তাই ১৭০০ ডোজ টিকা চুরি করে তা ফিরিয়ে দিয়ে গেল চোর। সেই সঙ্গে লিখে রেখে গেলেন এক চিঠি।

প্রসঙ্গত, গতকালই, করোনা টিকা চুরি যাওয়া নিয়ে শোরগোল বেধে যায় হরিয়ানার জিন্দ জেলায়। হাসপাতালের পুরো টিকার ভাণ্ডার খালি করে দিয়েছে চোর।

সূত্রের খবর ওই জেলার পিপি সেন্টার জেনারেল হাসপাতালের স্টোর রুমে রাখা ছিল ১ হাজার ৭১০টি টিকার ডোজ। তাতে কোভ্যাক্সিন এবং কোভিশিল্ড দু’ রকম টিকাই ছিল। বৃহস্পতিবার হাসপাতালের স্টোর রুম খুলে দেখা যায় সেখানে একটি টিকার ভায়ালও নেই। স্টোর রুমের দরজা ভেঙে টিকার পেটিটা নিয়ে উধাও হয়ে গেছে চোর। অথচ অন্যান্য ওষুধ যন্ত্রপাতির কোনও ক্ষতিও করেনি সে।

'கொரோனா தடுப்பூசி என தெரியாது...மன்னித்துவிடுங்கள்’ - திருடிய தடுப்பூசிகளை போலீஸ் நிலையம் அருகே வைத்து சென்ற திருடன்

করোনার সংকটময় পরিস্থিতিতে এই ঘটনার কথা পুলিশকে জানানো হয়। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে  হাসপাতালের ওই স্টোর রুমে কোনও সিসিটিভি ক্যামেরা নেই। নিরাপত্তা রক্ষীও ছিল না।

কিন্তু ২৪ ঘণ্টা না পেরতেই ফেরত গোটা পেটিটা দিয়ে যায় চোর। সেইসঙ্গে ক্ষমা প্রার্থনা করে চিঠিও লিখে যায় সে। ‘ক্ষমা করবেন, জানতাম না এখানে করোনার ওষুধ আছে’।

যদিও চোরের ফিরিয়ে দিয়ে যাওয়া করোনা টিকা এখন‌ও পর্যন্ত কতখানি ব্যবহার উপযোগী তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়।‌ তবে জানা গিয়েছে, একটুও নষ্ট হয়নি করোনা টিকা।

You might also like
Comments
Loading...