সব খবর সবার আগে।

সীমান্ত বিতর্কে চীনের সাথে জারি আলোচনা, দেশের সম্মানের অমর্যাদা হতে দেব না, জানালেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

কিছুদিন ধরেই লাদাখে ভারত-চীন সীমান্তে সেনাবাহিনীর মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। এবার দুই দেশই নিজেদের মধ্যে সীমান্ত বিবাদ নিয়ে সামরিক এবং কূটনৈতিক স্তরে আলোচনা চালাচ্ছে। তবে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং জানিয়েছেন, কোনওভাবেই তিনি ভারতের সম্মানের অমর্যাদা হতে দেবেন না।

একটি বৈদ্যুতিন সংবাদমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ‘ভারতের তরফ থেকে সবসময়ই প্রতিবেশীদের সাথে ভালো সম্পর্ক রাখার চেষ্টা করা হয়। এটা দীর্ঘদিনের প্রয়াস। তবে চীনের সঙ্গে কখনো কখনো এইরকম পরিস্থিতিও তৈরি হয়ে যায়। সেখানেই কিছু সমস্যা ঘটে।’

চলতি বিবাদের জেরে পূর্ব লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর বেজিং কি কোনওভাবে ভারতের উপর চাপ তৈরি করতে পারে? এই প্রশ্নের জবাবে রাজনাথের স্পষ্ট বক্তব্য, ‘আপনার এরকম ভাবার কোনো কারণ নেই। আমি দেশবাসীকে আশ্বাস দিচ্ছি কোনোরকম পরিস্থিতিতেই আমরা ভারতের সম্মানের ওপর আঘাত হানতে দেব না।’

২০১৭ সালে ডোকলাম বিবাদের প্রসঙ্গ তুলে তিনি জানান, সেই সময়ও সীমান্ত এলাকায় বিতর্কের জেরে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু নয়াদিল্লি তাতে পিছপা হয়নি। বরং সুস্থ আলোচনার মাধ্যমেই বিতর্কের পরিসমাপ্তি ঘটিয়েছিল। এবারও কূটনৈতিক স্তরে আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান করা হবে বলে ইঙ্গিত দেন রাজনাথ। তিনি বলেন, ‘উত্তেজনা যাতে আর না বাড়ে, তা নিশ্চিত করাই ভারতের একমাত্র লক্ষ্য। সামরিক এবং কূটনৈতিক স্তরে আলোচনার মাধ্যমে সীমান্ত বিতর্ক মিটিয়ে নেওয়া হবে। সামরিক এবং কূটনৈতিক স্তরে এখন দু’দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে।’

পাশাপাশি, ভারত ও চীনের মধ্যে চলতি বিবাদের জেরে আমেরিকা যে মধ্যস্থতার প্রস্তাব নিয়ে এসেছিল, তা নিয়েও কথা বলেন রাজনাথ। তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে আমেরিকার প্রতিরক্ষা সচিব মার্ক টি এসপারের সঙ্গে শুক্রবারই ফোনে কথা হলে তিনি তাকে সাফ জানান, আলোচনার মাধ্যমে ‘সমস্যা’ সমাধানের জন্য নয়াদিল্লি এবং বেজিং উভয় রাষ্ট্রের কাছেই যথোপযুক্ত ব্যবস্থা রয়েছে।

You might also like
Leave a Comment