সব খবর সবার আগে।

মেয়ের কান্নাভরা আর্তিই কাজ দিল, মাওবাদীদের কবল থেকে মুক্ত কোবরা জওয়ান কমান্ডো

মাওবাদীর ঘেরাটোপ থেকে মুক্তি পেলেন কোবরা জওয়ান কমান্ডো রাকেশ্বর সিংহ, এমন খবরই মিলেছে ছত্রিশগড় পুলিশের থেকে। মেয়ের কান্নাভরা মুখের অনুরোধেইই কী মাওবাদীদের কবল থেকে মুক্তি পেলেন তার বাবা?

বাবাকে ফিরে পেতে কান্নাকাটি করেছিল সিআরপিএফ জওয়ানের মেয়ে শ্রাঘবী। সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে কান্নাভরা মুখ নিয়ে শ্রাঘবী কাকুতি মিনতি করে বলে, “মাওবাদী কাকু দয়া করে আমার বাবাকে ফিরিয়ে দিন। পাপার পরী পাপাকে খুব মিস্ করছে। আমি পাপাকে খুব ভালবাসি। প্লিজ নকশাল আঙ্কল, আমার পাপাকে ঘরে পাঠিয়ে দাও”।

আরও পড়ুন- ‘বিজেপি করবেন না, আমাদের বিরোধিতা করলে উচ্ছেদ করে ছাড়ব’, হুমকি তৃণমূল নেতা গৌতম দেবের

এই ঘটনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই মুক্তি পেলেন কমান্ডো রাকেশ্বর সিং। গত সপ্তাহের শনিবার ছত্রিশগড়ের সুকমা-বিজাপুর সীমানার জাগারগুন্ডা-জোঙ্গাগুড়া-তারেম জঙ্গলে মাওবাদীদের দঙ্গে সংঘর্ষ বাঁধে সিআরপিএফ জওয়ানদের। এই সংঘর্ষে শহিদ হন ২২ জন জওয়ান। ৩২ জন জওয়ান এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এরই মধ্যে কমান্ডো রাকেশ্বর সিংহকে বন্দি করে মাওবাদীরা।

এরপর গত সোমবার দু’জন স্থানীয় সাংবাদিকের কাছে এক রহস্যজনক ফোন আসে। ফোনে বলা হয়, কমান্ডো জওয়ানকে বন্দি করে রাখা হয়েছে। গুলির লড়াইয়ের পর তাঁকে বন্দি করা হয়। এরপরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ্‌’কে চিঠি লেখেন ওই কমান্ডোর স্ত্রী। চিঠিতে তিনি নিজের স্বামীকে ফিরিয়ে দেওয়ার আর্জি জানান।

আরও পড়ুন- রোজভ্যালি থেকে নিয়মিত টাকা যেত তৃণমূলে! চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস

বিজাপুর প্রেস ক্লাবের প্রেসিডেন্ট গণেশ মিশ্র জানিয়েছিলেন, মাওবাদীরা নিজেদের সেভাবে কোনও পরিচয় দেয়নি। তাঁরা জানিয়েছিল, ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যে তাঁকে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। সাংবাদিকের কথায়, হিদমা জানিয়েছিল,  “নিখোঁজ জওয়ান তার হেফাজতে রয়েছে। আমি জওয়ানের ক্ষতি করব না এবং তিনি নিরাপদে আছেন। শীঘ্রই তাঁর ছবি পাঠানো হবে”।

You might also like
Comments
Loading...