সব খবর সবার আগে।

দাড়ি কাটলেন সেই পুলিশ অফিসার! খোয়া যাওয়া চাকরি মিলল ফেরত

কিছুদিন আগেই খবরে এসেছিল যে উত্তরপ্রদেশের এক সাব-ইন্সপেক্টর নিজের দাড়ি রেখেছেন বলে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে! ইন্সপেক্টর ইন্তেসার আলিকে দাড়ি রাখার জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছিল, অভিযোগ ছিল তিনি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অমান্য করেই দাড়ি রেখেছিলেন। অবশেষে জানা গেল চাকরি বাঁচাতে নিজের দাড়ি কেটে ফেলেছেন ওই সাব ইন্সপেক্টর। সেইসঙ্গে ফিরে পেলেন হারানো চাকরি। যদিও গোটা ঘটনায় ফের নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

বাগপত জেলার রামলাল পুলিশ স্টেশনে ২৫ বছর ধরে এসআই পদে কর্মরত ইন্তেসার আলি। অনুমতি ছাড়া দাড়ি রাখার জন্য ওই পুলিশ অফিসার কে সাসপেন্ড করা হয়। এরপর তিনি দাড়ি কাটতে বাধ্য হন এবং জানা গিয়েছে যে দাড়ি কাটতে তার উপর থেকে সাসপেনশন তুলে নেওয়া হয় এবং খুব শীঘ্রই তিনি নিজের পদে যোগ দিতে পারবেন।

তবে সাসপেন্ড হওয়ার পর ইন্তেসার জানিয়েছিলেন যে দাড়ি রাখার জন্য তিনি উপর মহলের কাছে একাধিকবার আবেদন করেছিলেন কিন্তু কোনো জবাব পাননি। তার দীর্ঘ ২৫ বছরের কর্মজীবনে দাড়ি রাখা নিয়ে কোনো সমস্যা হয়নি কিন্তু এখন কেন হঠাৎ করে সমস্যা হলো তিনি তা বুঝতে পারছেন না।

তবে উপর মহল জানিয়েছিল যে এর আগে ওই পুলিশ অফিসার কে একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছিল। পুলিশের ড্রেস কোড অনুযায়ী ভারতে একমাত্র শিখ ছাড়া কেউ দাড়ি রাখতে পারবেন না। অন্য কেউ দাড়ি রাখতে গেলে তাকে উপর মহল কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানাতে হবে। তারা যদি অনুমতি দেয় তবে কোনো পুলিশ দাড়ি রাখতে পারবেন।

ইন্তেসার কে এই বিষয়ে বারবার সতর্ক করা হয়েছিল কিন্তু তিনি কোনরকম ভ্রুক্ষেপ করেননি এবং তাকে একবার শোকজ করা হয়েছিল। পরে তিনি তদন্তে দোষী প্রমাণিত হওয়ার পর তাকে বরখাস্ত করা হয়েছিল।বরখাস্তের ঘটনার পর বিভিন্ন সংগঠন পুলিশের বিরুদ্ধে মুখ খুলে ছিল কিন্তু এবার ইন্তেসার স্বেচ্ছায় দাড়ি কেটে ফেলায় সমস্ত বিতর্কে জল পড়ে গেল। রবিবারে একটি নোটিশ জারি করা হয়েছে যেখানে বলা হয়েছে ইন্তেসার তার পুরনো পদে ফের যোগ দিতে চলেছেন।

_taboola.push({mode:'thumbnails-a', container:'taboola-below-article', placement:'below-article', target_type: 'mix'}); window._taboola = window._taboola || []; _taboola.push({mode:'thumbnails-rr', container:'taboola-below-article-second', placement:'below-article-2nd', target_type: 'mix'});
You might also like
Comments
Loading...