সব খবর সবার আগে।

আরএসএস-র হাত ধরলেন ইয়েদুরাপ্পা, ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’-কে সমর্থন কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রীর

একদিকে বিরোধী দলগুলি যখন আরএসএসকে আক্রমণ শানিয়ে কথা বলেন, তখন কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী বিএস ইয়েদুরাপ্পা ব্যাট ধরলেন আরএসএসের হয়ে। কয়েকদিন আগেই রাহুল গান্ধী আরএসএস সংগঠনকে আক্রমণ শানান। এবার রাহুলের নাম না নিয়েই এই সংগঠনকে সমর্থন করলেন কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী।

নানান বিরোধী দলগুলিকে একহাত নিয়ে তিনি বলেন, “তারা সবসময় আরএসএসের নামে বলতে থাকেন। তারা জত আরএসএসের নাম নেবে। তত সংগঠন মজবুত হবে। আমি আজ এখানে রয়েছি আরএসএসের জন্য। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও গর্ব করে বলেন যে তিনি আরএসএস থেকে এসেছেন”।

আরও পড়ুন- বিজেপির জালে মমতা! নন্দীগ্রামে শুভেন্দু, ভবানীপুরে বাবুল, চিন্তার ভাঁজ ঘাসফুলের কপালে

এদিন বিরোধীদের তীব্র দেগে ইয়েদুরাপ্পা বলেন, “বিরোধীরা প্রধানমন্ত্রীর দাড়ি নিয়ে চিন্তিত। এদিকে গোটা বিশ্ব তাঁর কোভিড মোকাবিলার ক্ষমতার জন্য তাঁকে সাধুবাদ জানাচ্ছে। বিরোধী  বিধায়ক হওয়ায় আপনাদের উচিত বিধানসভায় বসে মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলা। তা না করে তারা অবুঝের মতো অন্যান্য বিষয় তুলে আনেন”। এমনকি, এদিন ইয়েদুরাপ্পা ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’-কেও সমর্থন জানান।

বলে রাখি, গতকাল বৃহস্পতিবার, কর্ণাটকের বিধানসভার বাইরে কংগ্রেস ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’-এর ভাবনাত বিরোধিতা করে বলে যে এটি আরএসএসের নিজস্ব অ্যাজেন্ডা। এই বিষয়ের উপর একটি বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠান করার সিদ্ধান্ত নেন অধ্যক্ষ বিশ্বেশ্বের হেগড়ে কাগেরি। এরপরই এই বিরুদ্ধে সরব হয়ে আরএসএসকে কাঠগড়ায় তোলে বিরোধীরা।

আরও পড়ুন- নির্বাচনী প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরই দলবদল, ফের বিজেপিতে যোগ দিলেন তৃণমূলের প্রভাবশালী যুব নেতা

কংগ্রেসের তরফে অভিযোগ জানানো হয় যে এই বিষয়ে আলোচনার জন্য অনুষ্ঠান সম্পূর্ণ একতরফা। অন্য কোনও দলের মতামত নেওয়া হয়নি। কিন্তু অধ্যক্ষের দাবী, শেষ মুহূর্তে পিছু হটছেন বিরোধীরা। এর আগেই এই আলোচনার জন্য কোন দলের কোন সদস্য অংশ নেবেন, তা নিয়ে একটি পূর্ণ তালিকা প্রস্তুত করা হয়। কিতু এরপরও কংগ্রেসের তরফে আরএসএসকে হিটলারের সঙ্গে তুলনা করা হয়।

You might also like
Comments
Loading...