সব খবর সবার আগে।

Bizzare News: ভিনগ্রহের প্রাণীরা নোংরা ফেলছে সৌরজগতে! আজব দাবি বিজ্ঞানীর

আমরা মানুষরা ঘরের নোংরা আবর্জনা যেমন দূরে গিয়ে ফেলে আসি সেরকম নাকি ভিনগ্রহী প্রাণীরাও তাদের গ্রহের আবর্জনা আমাদের সৌরজগতে ফেলে দিচ্ছে! এবার এরকমই আজব দাবি করলেন আবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিদ প্রফেসর আভি লোয়েব।
নিজের লেখা এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল: দ্য ফার্স্ট সাইন অফ ইন্টেলিজেন্ট লাইফ বিয়ন্ড আর্থ বইতে তিনি এরকমই চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন। এই বই শীঘ্রই প্রকাশ পেতে চলেছে এবং প্রকাশ পাওয়ার পরে যে কী হবে তা বোঝাই যাচ্ছে।

কিন্তু তিনি যে সঠিক বলছেন এ কথাটা অনেকেই বিশ্বাস করতে নাও পারেন তাই নিজের এই বক্তব্যকে ঠিক প্রমাণ করার উদ্দেশ্যে তিনি আজ থেকে চার বছর আগের একটি ঘটনা নিজের বইতে তুলে ধরেছেন।

নাসা-র অধীন নিয়ার আর্থ অবজেক্ট অবজারভেশন প্রোগ্রামের অন্তর্গত হাওয়াই বিশ্ববিদ্যালয়ের Pan-STARRS1 টেলিস্কোপে আজ থেকে চার বছর আগে হাজার ১৯শে অক্টোবর আমাদের সৌরজগতে এক আশ্চর্য রকমের লম্বাকৃতির একটি জিনিসের অস্তিত্ব ধরা পড়ে। প্রথমে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা ভেবেছিলেন যেটা হয়তো কোনও ধূমকেতু। এর নাম রাখা হয়েছিল ওউমুয়ামুয়া। জিনিসটি প্রতি সেকেন্ডে ৮৭.৩ কিলোমিটার বেগে সূর্যকে পাশ কাটিয়ে যাচ্ছিল।

তবে এর পরই বিজ্ঞানীরা এই জিনিসটিকে নিয়ে যত গবেষণা করতে থাকেন তত তাদের মনে সন্দেহ বাড়তে থাকে।কারণ এর মধ্যে ধূমকেতুর কোনও লক্ষণই দেখা যাচ্ছিল না।

এবার বিজ্ঞানীরা মনে করতে থাকেন যে এটি কোন গ্রহাণু কিন্তু এর আকৃতি অনেক লম্বা এবং ছুঁচোলো যা গ্রহাণুর হয়না। এটি পাথুরে প্রকৃতির এবং প্রায় ৪০০ মিটার লম্বা, গায়ে লালচে আভা। কোন গ্রহাণু কোনদিনও এরকম হয়না বলে দাবি বিজ্ঞানিদের।

ফলে এই জিনিসটি ভিনগ্রহীদের আবর্জনা বলেই দাবি করছেন এই অধ্যাপক। তার দাবি আমাদের সঙ্গে সংকেত এর মাধ্যমে ভিনগ্রহের প্রাণীরা যোগাযোগ করার চেষ্টা করে চলেছে অনবরত। এই আজব বস্তু সৌরজগতে পাঠিয়ে তারা পৃথিবীর প্রাণীদের ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া বুঝতে চেয়েছিল। এখনই ওউমুয়ামুয়াকেই বিশ্লেষণ করেই জানা যাবে ভিনগ্রহের প্রাণীদের স্বভাব এরকমটাই দাবি করেছেন ওই অধ্যাপক।

You might also like
Comments
Loading...