প্রযুক্তি

TRAI-এর নির্দেশে চাপের মুখে নানান টেলিকম সংস্থা, নিজেদের রিচার্জ প্ল্যানে পরিবর্তন আনল জিও, ভোডাফোন, এয়ারটেল

বছরের শেষের দিকেই সমস্ত গ্রাহকদের জন্য দুঃসংবাদ এনেছে নানান টেলিকম সংস্থাগুলি। নানান সংস্থার তরফেই রিচার্জ প্ল্যানের দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট আমাদের জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। আর এই কারণে বেশ সমস্যায় পড়েছেন গ্রাহকরা।

প্রত্যেক প্ল্যানের দাম বাড়ানোর পাশাপাশি কম দামের প্ল্যান থেকে এসএমএসের সুবিধাও বন্ধ করে দিয়েছে সংস্থাগুলি। তবে এবার TRAI অর্থাৎ টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার চাপের মুখে পড়ে কিছুটা ছাড় দিল টেলিকম সংস্থাগুলি।

এর জেরে ১৯০০ নম্বরে মেসেজ না এসএমএস শর্টকোড পাঠানোর সুযোগ সুবিধা পাবেন গ্রাহকরা। এই ১৯০০ নম্বরে মেসেজ পাঠানোর অর্থ একটি নেটওয়ার্ক থেকে অন্য একটি নেটওয়ার্কে পোর্ট করানো। কিন্তু টেলিকম সংস্থাগুলির নতুন প্ল্যানের ফলে সাধারণ মানুষ কম দামের রিচার্জে সেই এসএমএস পাঠানোর সুযোগ পাচ্ছিলেন না। এর জন্য অনেক বেশি অঙ্কের রিচার্জ করতে হচ্ছিল।

এই কারণে এবার TRAI-এর তরফে নির্দেশ দিয়ে বলা হয়, পোর্টিং কোডের মেসেজে সুযোগ-সুবিধা প্রদান না করার অর্থ এক কথায় পোর্টেবিলিটি নিয়মের লঙ্ঘন করা। তাই TRAI নির্দেশ দিয়েছে যাতে প্রত্যেক কোম্পানি অবিলম্বে প্রত্যেক প্ল্যান অথবা ভাউচারের সঙ্গে প্রিপেড অথবা পোস্টপেড নির্বিশেষে সমস্ত গ্রাহকদের জন্য এই পরিষেবা কার্যকর করে।

এই বিষয় টেলিকম নিয়ন্ত্রক জানাচ্ছে যে গ্রাহকদের পর্যাপ্ত ব্যালেন্স থাকা সত্ত্বেও তারা ১৯০০ নম্বরে কোন এসএমএস পাঠাতে পারছেন না। ব্যালেন্স থাকা সত্ত্বেও এসএমএস না পাঠানোর ব্যাপারটিকে একপ্রকার গ্রাহকদের অধিকার কেড়ে নেওয়া বলেই ধরে নেওয়া হয়। তাই যাতে সমস্ত গ্রাহকরা এসএমএস পাঠাতে পারেন সেই দিকে নজর দিতে হবে টেলিকম সংস্থাগুলিকে।

বলে রাখি, জিও, ভোডাফোন, এয়ারটেল সমস্ত টেলিকম কোম্পানিগুলি ১০০ টাকার কম মূল্যের রিচার্জে এসএমএস পরিষেবার সুযোগসুবিধা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। টকটাইম বা ডাটা ব্যবহার করার সুবিধা থাকলেও, সেইসব প্ল্যানে মেসেজ করার কোনও সুবিধাক মিলবে না, এমনই ঘোষণা করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের জন্য দাবীও উঠেছে গ্রাহকদের তরফে। তবে এই নতুন নিয়মে কিছুটা স্বস্তি পেতে পারেন গ্রাহকরা।

Related Articles

Back to top button