সব খবর সবার আগে।

হাওড়ায় আইনজীবীদের ঘটনায় রাজ্য সরকারের পদক্ষেপ কি? জানতে চাইলেন বিচারপতি।

0 0

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

গত ২৪ শে এপ্রিল হাওড়া পৌরনিগমের সঙ্গে আইনজীবীদের সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল হাওড়া আদালত চত্বর। এরপরই পুলিশ এসে কোর্টের ভেতরে ঢুকে আইনজীবীদের উপর লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ। এরপরই ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে রাজ্যের আইনজীবীরা। এর প্রতিবাদের তারা মামলাও করেন কলকাতা হাইকোর্টে। সেই মামলার দোষীদের শাস্তি দিয়ে নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আইনজীবীদের বার কাউন্সিলের তরফে ডাকা হয়েছে অনির্দিষ্ট কালের কর্মবিরতি।

এমতাবস্থায় প্রতিবারই আইনজীবীদের কেস পিছিয়ে যাচ্ছে প্রধান বিচারপতি টি বি এন রাধাকৃষ্ণনের ডিভিশন বেঞ্চ না বসায়। তাই গতকাল আইনজীবীরা বিচারপতি বিশ্বনাথ সমাদ্দারের ডিভিশন বেঞ্চে গিয়ে আবেদন জানান যাতে তাঁরা মামলাটি শোনেন। প্রথম বিচারকরা তা শুনতে রাজী না হলেও পরে মামলাটির শুনানি হয়। আর সেই শুনানিতেই বিচারক বিচারপতি বিশ্বনাথ সমাদ্দার প্রশ্ন করেন যে, এই ঘটনায় রাজ্য সরকার কি পদক্ষেপ নিয়েছে? এই প্রশ্নটি রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনেরাল কিশোর দত্তের নিকট করা হলে, তিনি জানান যে রাজ্য এখন তেমন কোনো পদক্ষেপই নেয়নি।

অপরদিকে হাওড়া কোর্টের আইনজীবীদের তরফে থাকা আইনজীবী এস কে কাপুর বলেন যে, “আমাদের কোনও নিরাপত্তা নেই । সমস্ত আইনজীবীর কোনও নিরাপত্তা নেই । আইনজীবী বোনদের নিরাপত্তা নেই । ১৫ মে হয়ে গেল পুলিশ কী করেছে? কিছু করেনি । দোষীদের বিরুদ্ধে একটা অভিযোগ পর্যন্ত দায়ের করেনি । কে আমাদের নিরাপত্তা দেবে? আমরা হাওড়া আদালতের ঘটনার CBI তদন্ত দাবি করছি । দুই IPS ও হাওড়া থানার অফিসার এই ঘটনায় প্রত্যক্ষভাবে জড়িত । তাঁদের পদ থেকে বরখাস্ত করা হোক।”

আইনজীবীদের বার কাউন্সিলের আইনজীবী পার্থসারথি সেনগুপ্তের গলাতেও অনেকটা একই সুর। তিনি বলেন যে, “হাওড়ার ঘটনার পর আইনজীবীদের নিয়ে লোকে হাসাহাসি করে । পুলিশ যেন যা খুশি করতে পারে । আইনজীবীদের সম্মান ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির ব্যবস্থা নিতে হবে ওই অফিসারদের বিরুদ্ধে । সারা রাজ্যে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল বার কাউন্সিল যদি কর্মবিরতির ডাক না দিত আইনজীবীদের ক্ষোভ সামাল দেওয়া সম্ভব হত না ।” শুধু তাই নয়, আইনজীবীরা আরও জানান যে, উপরোক্ত ঘটনায় পুলিশ যে হলফনামা পেশ করেছে তাতে কোথাও তাঁরা এটি পরিষ্কার করে বলেননি যে সেদিন কেন আইনজীবীদের ওপর পুলিশ লাঠিচার্জ করেছিল?

এই সমস্ত কথা শোনার পর হাইকোর্টের বিচারক বিশ্বনাথ সমাদ্দার বলেন যে, “নিশ্চই চোখের বদলে চোখ কোনও সমাধান হতে পারে না? আপনারা ধৈর্য ধরুন । আগে সবার বক্তব্য শুনতে দিন ।” এরপর মামলাটির জন্য নির্ধারিত সময় শেষ হয়ে যাওয়ায় শুনামি ওখানেই কাল থেকে যায়। আজ ফের এই মামলার শুনানি রয়েছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Leave A Reply

Your email address will not be published.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More