সব খবর সবার আগে।

‘মমতা বিজেপির সবচেয়ে বড় দালাল, মোদী-মমতার মধ্যে চুক্তি হয়ে গিয়েছে’, তৃণমূল সুপ্রিমোকে লাগামছাড়া আক্রমণ অধীরের

দিল্লি গিয়ে সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করে আসার পর থেকেই যেন বাংলায় অন্য সুরে কথা বলতে শুরু করেছে তৃণমূল। জাতীয় স্তরে বিজেপিকে হারানোর জন্য প্রধান যে দলের সঙ্গে জোট বাঁধার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, রাজ্যে ফেরার পর যেন ঠিক এর উলটো কথায় শোনা যাচ্ছিল তৃণমূল সুপ্রিমোর গলায়।

উপনির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কোনও প্রার্থী দেয়নি কংগ্রেস। কিন্তু তা সত্ত্বেও কংগ্রেসকে আক্রমণ শানাতে কসুর করেন নি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিমরা। এর উপর কিছুদিন আগেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা লুইজিনহো ফালেইরো। এর জেরে তৃণমূল ও কংগ্রেসের মধ্যে সংঘাত আরও বেড়েছে। আর এরই মধ্যে মমতাকে বেশ কড়া ভাষাতেই কটাক্ষ শানালেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী।

মমতার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়ে অধীর বলেন, “বিজেপি সরকার এবং নরেন্দ্র মোদীকে আটকাতে প্রয়োজন কড়া বিরোধী জোটের। গোটা দেশে ৬৩ শতাংশ ভোট বিজেপির বিরুদ্ধে থাকায় তাঁর মধ্যে ২০ শতাংশই কংগ্রেসের ভোট। আর বাংলায় থাকা ৪ শতাংশ পুরোটাই তৃণমূলের। কংগ্রেসকে আটকে দিয়ে তো আর বিজেপিকে ঠেকানো যাবে না। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী বিরোধী জোটের কথা বললেও, কংগ্রেসকে কিন্তু আক্রমণ করতে ছাড়েন না”।

এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মোদীর দালাল বলেও কটাক্ষ করেন অধীর চৌধুরী। তাঁর কথায়, “আগে থাকতেই বাংলা মমতার এবং দিল্লী মোদীর, নিজেদের মধ্যে এমন চুক্তি করে নিয়েছেন মোদী -মমতা। আর সেই মতই চলছেন তাঁরা”।

এখানেই শেষ নয়। কংগ্রেস সভাপতি আরও বলেন, “দিল্লী গিয়ে আমাদের ম্যাডাম সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করে আসার পর গত ৬ই সেপ্টেম্বর ইডির সমন পেয়েই সুর বদলে গেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এমনকি অভিষেকও বলতে শুরু করল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। কারণ, বিজেপির থেকে হুমকি পেয়েই তাঁদের এমন ভোলবদল। নিজের দলের চোর ডাকতদের বাঁচাতে তিনির সুর বদলালেন। মোদী খুব ভালো করেই জানেন, বিরোধীরা একজোট হলে তাঁর সমস্যা আছে। আর এই জন্যই বিজেপি সবথেকে বড় দালাল হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়”।

You might also like
Comments
Loading...