রাজ্য

ফের দলবদল, বাবুলের তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পরই ঘাসফুল শিবিরে ফিরলেন আরও এক সাংসদ

শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরেই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপির হাত ধরেছিলেন তিনি। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই মোহভঙ্গ হয় তাঁর। গেরুয়া শিবিরের উপর একরাশ ক্ষোভ উগড়ে দেন তিনি। তাঁর দাবী ছিল তিনি তৃণমূলেই রয়েছেন। এর আগে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে টানাপড়েন থাকলেও এবার পুরোপুরিভাবেই তৃণমূল কার্যালয়ে দেখা গেল বর্ধমান পূর্বের সাংসদ সুনীল মণ্ডলের।

একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে থেকেই তৃণমূলের ভাঙন শুরু হয়। শুভেন্দু অধিকারী দলছাড়ার পরই তাঁর পিছু পিছু নানান তৃণমূল নেতা-মন্ত্রী বিজেপিতে যোগ দেন। সেই তালিকায় ছিলেন সুনীল মণ্ডলও।

আরও পড়ুন- ‘এভাবে কী উন্নয়ন হয়?’, দিলীপের মন্তব্যের উল্টো মন্তব্য করে খড়গপুরের রেল প্রকল্প নিয়ে প্রশ্ন হিরণের 

মেদিনিপুরে অমিত শাহ্‌’র সভাতেই গেরুয়া পতাকা হাতে তুলে নেন সুনীলবাবু। এরপর কাটোয়ার বিজেপি প্রার্থীর হয়ে প্রচার করতে দেঝা যায় তাঁকে সেখানে স্থানীয় এক তৃণমূল নেতাকে খুনের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও বিজেপির হয়েই প্রচারে নামেন তিনি।

কিন্তু বিজেপিতে যোগ দেওয়ার কিছু মাসের মধ্যেই মোহভঙ্গ হল তাঁর। সুনীল মণ্ডল বলেন, “তৃণমূল থেকে যারা বিজেপিতে এসেছে, তারা মানিয়ে নিতে পারছে না। আসলে বিজেপি তাদের বিশ্বাস করতে পারছে না। তথাগত রায়, দিলীপ ঘোষরা এদের সম্পর্কে অন্যায় কথা বলছেন।দিলীপ ঘোষ বলেছেন, ২০১৯ সালের পর যারা বিজেপিতে এসেছে তাদের আগে বিজেপি হতে হবে। এটা অন্যায় কথা”।

কখনও আবার সুনীল মণ্ডল দাবী করেন যে তিনি মনে প্রাণে তৃণমূলেই রয়েছেন। যদিও তাঁর তৃণমূলের তরফে তাঁর এই ঘর ওয়াপসির চেষ্টাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। বরং সুনীল মণ্ডলের সাংসদ পদ খারিজের জন্য তৃণমূল নেতৃত্ব বারবার লোকসভার স্পিকারকে চিঠি দেয়।

আরও পড়ুন- ‘রাজনীতির লোক নই, তবু মনে হচ্ছে একটা দল খুলি’, তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় বাবুলকে তীব্র তোপ কবীর সুমনের

সুনীল মণ্ডলকে নিয়ে একরকম টানাপড়েন ছিলই। সবের মাঝেই আজ, রবিবার বাবুল সুপ্রিয়র সঙ্গে একই গাড়িতে দেখা মেলে তাঁর। বাবুলের সঙ্গেই ক্যামাক স্ট্রিটে আসেন তিনি। যোগ দেন তৃণমূলের অনুষ্ঠানে। এদিনও সুনীলবাবু দাবী করেন যে তিনি তৃণমূলেই রয়েছেন।

Related Articles

Back to top button