রাজ্য

২৪ ঘণ্টার মধ্যেই উল্টো সুর, নন্দীগ্রামের ঘটনায় ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব খারিজ মমতার, টুইটে বিঁধলেন মালব্য

গতকাল সন্ধ্যে থেকেই খবরের শিরোনামে কেবল একটি নামই রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গতকাল থেকে এখনও পর্যন্ত হরদম একটাই মুখ্যমন্ত্রী আহত হওয়া ও আর শারীরিক অবস্থার কথাই হয়েছে নানান সংবাদমাধ্যমে। এবার তাঁকে নিয়ে টুইট করলেন বিজেপি নেতা অমিত মালব্য।

মুখ্যমন্ত্রী গতকাল বলেছিলেন যে রেয়াপাড়ার শিব মন্দির থেকে বের হওয়ার পর বিরুলিয়া বাজারের কাছে ওঁর সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি হয়। এও বলেন যে ৪-৫ জন নাকি তাঁকে ধাক্কা মারে ও এর জেরে তিনি পড়ে যান। এর ফলে তাঁর পায়ে চোট লাগে ও কোমরে ও বুকে ব্যথা পান।

আরও পড়ুন- বড় খবরঃ এবার বেসুরো অনুব্রত মণ্ডল! খেলা হবে না বীরভূমে?

এরপর তাঁকে গ্রিন করিডরে করে কলকাতায় আনা হয়। তিনি আপাতত এসএসকেএমে চিকিৎসাধীন। এরই মধ্যে আজ দুপুরে মুখ্যমন্ত্রী একটি ভিডিওতে বার্তা দেন। তিনি বলেন যে তাঁর এখনও পায়ে ব্যাথা রয়েছে। তবে দু-তিনদিনের মধ্যেই তিনি ফের কাজে যোগ দেবেন। আপাতত কিছুদিন তিনি হুইলচেয়ারে করেই ভোট প্রচার করবেন বলে বলেন। এছাড়াও, তাঁর দলের কর্মী-সমর্থকদের তিনি শান্ত থাকার নির্দেশও দেন। এরই মধ্যে তিনি বলেন যে গতকালের দুর্ঘটনায় তিনি ভালোই চোট পেয়েছেন।

তাঁর এই কথার প্রেক্ষিতেই বিজেপি নেতা অমিত মালব্য একটি টুইট করেন। সেখানে তিনি লেখেন যে, “আমি পিসি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়)-র দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই নিজের আক্রমণ তত্ত্ব দুর্ঘটনায় বদলে গেল। এটি সম্ভবত ওঁর দাবীর বিরুদ্ধে নন্দীগামের মানুষের তীব্র জনরোষ ও ক্রোধের পরিণতি”।

আরও পড়ুন- আঙুল উঠেছে বিজেপির দিকে, মুখ্যমন্ত্রীর উপর ‘হামলা’র সিবিআইয়ের তদন্ত দাবী করলেন অনুপম

প্রসঙ্গত, গতকাল যে জায়গায় ঘটনাটি ঘটে, সেখানকার স্থানীয় লোকেদের থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রীকে কেউ ধাক্কা দেয় নি। তাদের দাবী, দিদি গাড়ি থেকে নেমে নমস্কার করছিলেন। গাড়ির দরজা খোলা ছিল। সেই দরকা রাস্তার পাশে থাকা একটি খুঁটিতে ধাক্কা খেয়ে আবার ফিরে আসে এবং সেটাই দিদির গায়ে লেগে তিনি আহত হন। স্থানীয়দের দাবী, সেখানে কেউ ছিল না। এমনকি প্রাথমিক রিপোর্টেও ষড়যন্ত্রের কোনও হদিশ মেলেনি। তাই বিজেপি নেতার দাবী, এই সমস্ত দেখেই মুখ্যমন্ত্রী বয়ান পালটেছেন। তবে নানান বিজেপি নেতার পক্ষ থেকে এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবী তোলা হয়েছে।

Related Articles

Back to top button