রাজ্য

পাচারকাণ্ড নিয়ে বারবার কেন্দ্রকে তোপ, নভেম্বরেই বাংলায় আসছেন অমিত শাহ, মমতার সঙ্গে সাক্ষাতের সম্ভাবনা

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ্‌’র (Amit Shah) সঙ্গে এবার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সাক্ষাতের একটি সম্ভাবনা তৈরি হল। আগামী নভেম্বরে রয়েছে পূর্বাঞ্চলীয় নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক (Eastern Zonal Security Meeting)। এই বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা অমিত শাহ্‌’র। নবান্ন সভাঘরে সেই বৈঠক হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ্‌’র নেতৃত্বে হওয়া সেই বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা পাঁচ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর। ফলে এই বৈঠকে যোগ দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

বাংলা, ওড়িশা, বিহার, ঝাড়খণ্ড এবং সিকিম এই পাঁচ রাজ্য পূর্বাঞ্চলীয় নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যও। আগামী নভেম্বর মাসে নবান্নের সভাঘরে এই পূর্বাঞ্চলীয় নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। প্রথা অনুযায়ী এই বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্র সচিবের উপস্থিত থাকার কথা। উক্ত পাঁচ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরও এই বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা। এই কারণে স্বাভাবিকভাবেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর মুখোমুখি হওয়ার একটা সম্ভাবনা রয়েছে।

নবান্ন সভাঘুরে এর আগেও এমন হাই প্রোফাইল বৈঠক হয়েছে। সেই সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন রাজনাথ সিং। তাঁর নেতৃত্বেই হয়েছিল সেই বৈঠক। সেই সময় ইস্টার্ন জোনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের বৈঠক তো হয়েছিলই। এর সঙ্গে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের সঙ্গেও আলাদ করে বৈঠক করেছিলেন তৎকালীন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এবার অমিত শাহ আলাদাভাবে কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন কী না, তা এখনও জানা যায়নি।

এই ইস্টার্ন জোনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের বৈঠক সাধারণত পূর্ব ভারতের পাঁচ রাজ্যের একে অপরের সঙ্গে সম্পর্ক, নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হয়ে থাকে। এবারও উক্ত পাঁচ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের নিয়ে নিরাপত্তার বিষয়ে আলোচনা সমস্ত ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবেন অমিত শাহ। নবান্ন সূত্রের খবর অনুযায়ী, সীমান্তে পাচারের অভিযোগ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে নালিশ জানাতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক অতীতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিকবার অভিযোগ করেছেন যে ভিনরাজ্য থেকে গরু, কয়লা এবং অন্যান্য সামগ্রী দুষ্কৃতীরা বাংলার মাধ্যমে বাংলাদেশে পাচার করছে। রাজ্য সরকার সীমিত ক্ষমতায় এই পাচার চক্র আটকানোর চেষ্টা করলেও, আইনের গ্যাঁড়াকলের জেরে তা সম্ভব হয়ে উঠছে না। আর এর জেরে উলটে বদনাম হচ্ছে বাংলা। এই বিষয়টির দিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আলোকপাত করাতে পারে রাজ্য সরকার।  

Related Articles

Back to top button