সব খবর সবার আগে।

যাদবপুর কান্ডে মুখ্যামন্ত্রী এবং উপাচার্যের ভূমিকা নিয়ে ক্ষুব্ধ রাজ্যপাল।

0 0

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

আজ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এবিভিপি এর আয়োজিত নবীন বরণ অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে সঙ্গীত শিল্পি হিসেবে ডাকা হয়েছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়কে। কিন্তু আজ বাবুল সুপ্রিয় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকার পরই বিরোধী দলের ছাত্ররা জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। কোনোমতে এদিনের অনুষ্ঠান সারলেও ফের ফেরার পথে বাবুল সুপ্রিয়কে ঘিরে হেনস্তা করার অভিযোগ উঠেছে বিরোধী দলের ছাত্রদের ওপর৷ অভিযোগ, বাবুল সুপ্রিয়কে রীতিমতো ধাক্কাধাক্কি করে হেনস্তা করে এসএফআই এর কিছু ছাত্ররা। ধাক্কধাক্কিতে জামার কলারও ছিঁড়ে যায় তাঁর। এই ঘটনার পরই ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন আচার্য তথা রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়৷

Check out best Bengal Football website

যাদবপুরে আজ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা সঙ্গীত শিল্পি বাবুল সুপ্রিয়কে নিয়ে যে ঘটনা ঘটেছে তাতে ক্ষুদ্ধ হন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। বিশ্ববিদ্যায়ের উপাচার্যের সঙ্গে এই নিয়ে আচার্য তথা রাজ্যপালের সংঘাত প্রকাশ্যে এসে যায়৷ এই ঘটনা চলাকালীন আচার্য তথা রাজ্যপাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশ ডাকার কথা বললে উপাচার্য জানান যে, তিনি প্রয়োজনে ইস্তফা দেবেন কিন্তু পুলিশ ডাকবেননা৷ এমনকি এরপর ধস্তাধস্তিতে পরে গিয়ে অসুস্থ হয়ে যান উপাচার্যও, কিন্তু তবুও তিনি পুলিশ ডাকতে বিরত থাকেন। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ আচার্য তথা রাজ্যপাল বক্তব্য রাখেন যে, উপাচার্যের গাফিলতিতেই ঘটনাটি এতো বড়ো হয়েছে। সঠিক সময়ে উপাচার্য সঠিক পদক্ষেপ নিলে আজ এই ঘটনা ঘটতো না। এরপরই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে ইস্তফা দেওয়ার কথা বলেন আচার্য৷

শুধু উপাচার্যের ওপরই নয় একই ভাবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকাতেও ক্ষুব্ধ রাজ্যপাল তথা আচার্য জগদীপ ধনখড়। এই ঘটনা চলাকালীন সন্ধ্যাবেলা মুখ্যমন্ত্রীর নিকট ফোন করেন রাজ্যপাল। ফোনে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি সওয়াল করেন যে, রাজ্যের নিরাপত্তা বিভাগগুলো কেমন কাজ করছে? রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার এই খারাপ পরিস্থিতি কেনো? নিয়মকানুন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা বিভাগেরা কি কাজ করছেন। এরপরই মুখ্যমন্ত্রীকে রাজ্যপাল তাঁর যাদবপুরে যাওয়ার কথা বলেন। যদিও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যপাল তথা আচার্য জগদীপ ধনখড়কে যাদবপুরে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে বলেন। তথাপি মুখ্যমন্ত্রী কথার পরোয়া না করেই যাদবপুরে পৌঁছে বাবুল সুপ্রিয়কে উদ্ধার করে আনেন রাজ্যপাল। কিন্তু বলা বাহুল্য যে এই ঘটনায় একদিকে যেমন আচার্য – উপাচার্য সংঘাত দেখা গেলো তেমনি দেখা গেলো রাজ্যপাল – মুখ্যমন্ত্রী সংঘাত।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More