সব খবর সবার আগে।

উপনির্বাচনে তৃণমূলের তারকা প্রচারকের তালিকায় নাম নেই বাবুলের, ঘাসফুল শিবিরেও কী তবে সাইডলাইন তিনি?

গত মাসেই আচমকাই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন বাবুল সুপ্রিয়। তাঁকে দলে স্বাগত জানান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই তাঁকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে একই মঞ্চে দেখা গিয়েছে। কিন্তু তবুও যেন ঠিক তৃণমূলের হয়ে উঠতে পারছেন না তিনি।

চার কেন্দ্রে উপনির্বাচন রয়েছে পুজোর পরই। এই চার কেন্দ্রে প্রচারের জন্য তৃণমূলের তারকা প্রচারকের তালিকায় ঠাঁই মিলল না বাবুলের। এই তালিকায় নাম নেই সাংসদ-অভিনেত্রী নুসরত জাহানেরও।

বিজেপির সঙ্গ ত্যাগ করে রাজনীতি থেকে সন্ন্যাস নিয়েছিলেন বাবুল। সেইমতোই পোস্ট করেছিলেন সোশ্যাল মিডিয়াতেও। তবে সাংসদ পদ ছাড়েন নি তিনি। এরপর গত ১৮ই সেপ্টেম্বর তিনি যোগ দেন তৃণমূলে।

দলে যোগ দিয়ে তিনি জানান যে বিজেপিতে তাঁকে নাকি সাইডলাইনে বসিয়ে রাখা হত। কিন্তু সাইডলাইন হতে নারাজ তিনি। এই কারণেই তাঁর তৃণমূলে যোগ। বলে রাখা ভালো, গত আগস্ট মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মন্ত্রিসভার রদবদলের সময় কেন্দ্রীয় মন্ত্রিত্ব হারান বাবুল সুপ্রিয়। সেই সময় থেকেই দলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ে তাঁর।

গত বুধবার তৃণমূলের মুখপত্র ‘জাগো বাংলা’র শারদসংখ্যা প্রকাশ অনুষ্ঠানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে একই মঞ্চে দেখা যায় বাবুলকে। কিন্তু এরপরও তারকা প্রচারকের তালিকায় নাম নেই তাঁর। এই তালিকায় মিমি চক্রবর্তীর নাম থাকলেও নাম নেই বাবুলের।

এর থেকেই প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কী তৃণমূলেও সাইড লাইন করেই রাখা হচ্ছে বাবুলকে? তাঁর অবস্থা কী তাহলে বদলায় নি? যদিও এই বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দেন নি প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

You might also like
Comments
Loading...