সব খবর সবার আগে।

তৃণমূলের ‘শহিদ দিবস’, নাকি বিজেপির ‘শহিদ তর্পণ’? ২১শে জুলাই পাল্টা কর্মসূচীর উদ্যোগ গেরুয়া শিবিরের

২১শে জুলাই, দিনটি তৃণমূলের কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। এই দিনটি শহিদ দিবস হিসেবে পালন করে ঘাসফুল শিবির। এবারেও তাই-ই হবে। তবে করোনা আবহে এবছর এই দিনটি পালিত হবে ভারচুয়ালি। এর সমস্ত প্রস্তুতি একেবারে তুঙ্গে। এবার এর পাল্টাই এক কর্মসূচি নিল বিজেপি। শহিদ দিবসের দিনই বিজেপির তরফে পালন করা হবে ‘শহিদ তর্পণ’।

এবার শুধু বাংলা নয়, ২১শে জুলাইয়ের অনুষ্ঠানকে অন্যান্য রাজ্যেও পিছে দেওয়ার কর্মসূচি নিয়েছে তৃণমূল। সেই একই প্তহে হেঁটে বিজেপিও সেই একই দিনে তাদের মৃত কর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধা অর্পণ করবে গোটা দেশ জুড়ে।

আরও পড়ুন- অব্যাহত ভোট পরবর্তী হিংসা! ফের খুন বিজেপি কর্মী, ঝুলন্ত মৃতদেহের মুখে গোঁজা তৃণমূলের পতাকা

সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই ২১শে জুলাইয়ের দিন দিলীপ ঘোষ রাজঘাটে ‘শহিদদের’ প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করবেন। বিজেপির দাবী, এখনও পর্যন্ত রাজ্যে তৃণমূলের জমানায় ১৮০ জন বিজেপি কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই এই ২১শে জুলাই শহিদ তর্পণ পালন করতে চলেছে গেরুয়া শিবির।

তৃণমূলের তরফে আগেই জানানো হয়েছে যে গুজরাতের ৩২টি জেলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শহিদ দিবসের বক্তৃতা প্রচার করা হবে। এরই সঙ্গে আরও বেশ কিছু রাজ্যেও সেই বক্তৃতা প্রচারিত হবে, একুশের মঞ্চের সাহায্যেই নানান রাজ্যে বার্তা পৌঁছে দিতে উদ্যোগী তৃণমূল।

ইতিমধ্যেই তৃণমূলের তরফ থেকে দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ, অসম, ত্রিপুরা সহ নানান রাজ্যে একুশের ভার্চুয়াল সভা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এবার সেই উদ্যোগের পালটা দিতে ময়দানে নামল গেরুয়া শিবির।

প্রসঙ্গত, ১৯৯৩ সালের‌ ২১শে জুলাই যুব কংগ্রেসের একটি কর্মসূচিতে গুলিতে চালানো হয়েছিল। এই কর্মসূচীতে মৃত্যু হয়েছিল ১৩ জনের। সেই কর্মসূচির নেতৃত্বে ছিলেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর তৃণমূলের জন্ম হওয়ার পর থেকে এই দিনটিকে ‘শহিদ দিবস’ হিসাবে পালন করা হয় তৃণমূলের তরফে।

আরও পড়ুন- কাশ্মীরে বদলি হলে কোনও পিসিমণি, চটিমণি বাঁচাতে পারবে না, পুলিশ সুপারকে নজিরবিহীন আক্রমণ শুভেন্দুর

এবার এই আবহে আগামী ২১শে জুলাই-ই বিজেপিও ময়দানে নেমেছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, দিল্লি থেকে ভাষণ দেবেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ রাজ্যের অন্য বিজেপি নেতারাও ভাষণ দেবেন। দুপুর দেড়টা থেকে বিকেল ৪ পর্যন্ত চলবে এই কর্মসূচি। এই কর্মসূচিতে ভার্চুয়ালি যোগ দেবেন রাজ্যের নানান জেলার মণ্ডল ও বুথস্তরের নেতা, কর্মীরা।

You might also like
Comments
Loading...