সব খবর সবার আগে।

ফিরছে রক্তের রাজনীতি! বিজেপির বুথ সম্পাদককে পিটিয়ে হত্যা, অভিযুক্ত তৃণমূল

বাংলার গদি হাসিলের জন্য জোর লড়াই শুরু শাসক ও প্রধান বিরোধী শিবিরের মধ্যে। ভোটের দিন যত এগোচ্ছে উত্তেজনার পারদ তত‌ই বাড়ছে। পশ্চিমবঙ্গে একের পর এক হত্যার শিকার হতে হচ্ছে বিজেপি কর্মীদের। ফের একবার রাজ্যে বিজেপি কর্মী হত্যার অভিযোগ উঠল। অভিযোগের তীর যথারীতি শাসকের দিকে। পদ্ম শিবিরের অভিযোগ, কোচবিহারে বিজেপির বুথ সম্পাদক কালাচাঁদ কর্মকারকে (Kala Chand Karmakar) নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তৃণমূলের গুণ্ডাবাহিনী এই হত্যায় জড়িত।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারকে রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিয়ে বিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘রক্তের রাজনীতি করে বাংলার মানুষের সমর্থন পাওয়া যায় না মমতা ব্যানার্জী (Mamata banerjee)। আপনার দিন গোনার পালা শুরু!’

উল্লেখ্য, কোচবিহারের তুফানগঞ্জে বিজেপির ১৮৮ নম্বর বুথের সম্পাদক ছিলেন কালাচাঁদ কর্মকার। তাঁর পরিবারের তরফে লক্ষ্মী বর্মন জানিয়েছেন, ‘আজ অর্থাৎ বুধবার সকালে কালাচাঁদবাবুকে রাস্তায় ফেলে মারছিল কয়েকজন। সেই সময় বাড়ির লোকরা বাঁচাতে যায়। ওই সময়ই কালাচাঁদের পেটে লাথি মারা হয়। তাতেই জ্ঞান হারান তিনি। এরপর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কালাচাঁদকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।’ মৃত বিজেপি কর্মীর পরিবারের তরফে স্থানীয় তৃণমূল নেতা রঞ্জিত বর্মন, কমল বর্মন, সঞ্জিত বর্মন, নারায়ণ বর্মন ও দিলীপ বর্মনকে এই মারধরের জন্য দায়ী করা হয়েছে। ইতিমমধ্যেই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

আঞ্চলিক সূত্র জানাচ্ছে, কালীপুজোকে কেন্দ্র করে বিবাদ হয়েছিল। তারই পরিণতি এই খুন। পুলিশের দাবি, দুই পাড়ার বিবাদকে কেন্দ্র করেই বচসার সূত্রপাত। পরে যা ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করে। কমল বর্মনকে আটক করেছে পুলিশ।

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে টুইটে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় (Babul Supriyo) বলেছেন, ‘কোচবিহারে বিজেপির বুথ সম্পাদক কালাচাঁদ কর্মকারকে তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনী পিটিয়ে হত্যা করেছে, কিন্তু প্রশাসন চোখে কাপড় বেঁধে রেখেছে কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে। খুব শীঘ্রই মানুষ এর জবাব দেবে এই ‘অহংকারী’ সরকারকে।’

You might also like
Comments
Loading...