সব খবর সবার আগে।

কথায় কথায় ৩৫৬ ধারা জারির হুঁশিয়ারি! বঙ্গে বিপাকে পড়বে না তো বিজেপি? চ্যালেঞ্জ জানাল তৃণমূল‌

বঙ্গে বিজেপিকে প্রতিহত করে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ফের রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার। আর তারপর থেকে ফের চরমে তৃণমূল-বিজেপি সংঘাত।
ক্রমাগতই বিজেপির তরফ থেকে দাবি তোলা হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে ৩৫৬ ধারা অর্থাৎ রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার।

তৃণমূল নেতারা যখন ব্যস্ত করোনা যশ পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে, তখন বিজেপির কিছু প্রাধান্য পাওয়া নেতা ছুটছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার আবেদন নিয়ে।

ইতিমধ্যেই বাংলায় বিপুল হারের কারণ হিসেবে উঠে এসেছে অত্যাধিক কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ। সেখানে বিজেপির পক্ষ থেকে বারবার ৩৫৬ ধারা জারির আবেদন জনমানসে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে বলে আশঙ্কায় ভুগছেন বিজেপির আদি নেতারা। ‌ বারবার একই আবেদন করা বিজেপির কাছে বুমেরাং হয়ে ফিরে আসতে পারে বলে মনে করছেন তাঁরা।

আরও পড়ুন- ‘মোদীকে তাড়াতে চাই’, কৃষকনেতার সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমেই ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু মমতার

বিজেপির এই দরবার করাকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল শিবিরও। তৃণমূলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে ৩৫৬ ধারা কোন‌ও দোকানের মিষ্টি নয় চাইলেই কিনে দেওয়া যায়। তৃণমূল নেতা সৌগত রায়ের কথায়, ‘ওই BJP নেতারা মুর্খ বলেই ৩৫৬ ধারা নিয়ে লাফালাফি করছেন। সংবিধান পড়লে এত পরিশ্রম করতেন না। এইভাবে ৩৫৬ ধারা প্রয়োগ করা যায় না।’

ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারির পক্ষে সওয়াল করেছেন। রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও বুধবার সকালে টানা ৪৫ মিনিট রাজ্যের ভোট পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে। একই ইস্যুতে তিনি বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ্’র সঙ্গে।

গতকাল সকালেই দিল্লিতে হাজির হন বাংলার তিন বিজেপি সাংসদও। অর্জুন সিং, নিশীথ প্রামাণিক এবং সৌমিত্র খাঁ। তাঁদের সঙ্গে বিকেলে বৈঠক করেন শুভেন্দু। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই বৈঠকে ৩৫৬ ধারা নিয়ে কথা হয়েছে। কথা হয়েছে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) বাংলায় কার্যকরী করার বিষয়েও। যা থেকে রাজনৈতিক মহলের ধারণা, অমিত শাহ্দের কাছে এই বিষয়গুলিই তুলে ধরা হয়েছে। বিজেপির বেশ কয়েকজন সাংসদের ইচ্ছা, অবিলম্বে কেন্দ্র পশ্চিমবঙ্গে সিএএ কার্যকর করুক। তাতে রাজ্য সরকার বাধা দিলে, কেন্দ্রের পক্ষে ৩৫৬ ধারা প্রয়োগ করতে সুবিধা হবে।


আরও পড়ুন- ‘বিচ্ছেদ হতেই পারে, আমারও তো হয়েছে, বিয়েটা তবে স্বীকার করা উচিত’, নুসরতকে পরামর্শ সৌমিত্রর

কিন্তু বারবার রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির হুমকি দিলে বুদ্ধিজীবী বাঙালি জাতি কী তা মেনে নেবে? বাংলায় এই ব্যাপক ভরাডুবি থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত গেরুয়া শিবিরের! 

_taboola.push({mode:'thumbnails-a', container:'taboola-below-article', placement:'below-article', target_type: 'mix'}); window._taboola = window._taboola || []; _taboola.push({mode:'thumbnails-rr', container:'taboola-below-article-second', placement:'below-article-2nd', target_type: 'mix'});
You might also like
Comments
Loading...