রাজ্য

সঠিক সময় পঞ্চায়েতে আসেন না তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধান, সত্যতা যাচাই করতে নিজেই পঞ্চায়েত অফিসে পৌঁছলেন বিজেপি বিধায়ক চন্দনা বাউরি

দীর্ঘদিন ধরে তাঁর কাছে অভিযোগ আসছে যে  বাঁকুড়ার মেজিয়ার পঞ্চায়েত প্রধান সঠিক সময়ে পঞ্চায়েতে আসেন না। তাঁকে সমস্ত কাজে পাওয়াও যায় না। আর এর জেরে সাধারণ মানুষকে বেশ অসুবিধায় পড়তে হচ্ছে। এই নিয়ে বারবার জানানো হয় বাঁকুড়ার শালতোড়ার বিধায়ক চন্দনা বাউরিকে।

এই অভিযোগ কতটা সত্যি, তা যাচাই করতে তিনি নিজেই পঞ্চায়েত হাজির জন পঞ্চায়েত অফিসে। সেখানে গিয়ে দেখেন যে পঞ্চায়েত প্রধান নেই। সেখানে উপস্থিত লোকজনকে জিজ্ঞাসা করলে তারা জানান যে প্রধানের আসার নির্দিষ্ট কোনও সময় নেই। কখনও কখনও তিনি বেলা তিনটের সময়ও আসেন।

গতকাল, মঙ্গলবার ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে সংবাদমাধ্যম পৌঁছয় মেজিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে। কিন্তু বেলা সাড়ে ১২টা বেজে গেলেও দেখা মেলে না পঞ্চায়েত প্রধানের। এরপর বেলা ১টার সময় আসেন তিনি।

নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের জবাব দেন মেজিয়ার তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধান প্রতিমা দাস। তাঁর কথায়, “প্রতিদিন ঘড়ির কাঁটা মাফিক আসা হয় না, বাইরের বিভিন্ন কাজকর্মের জন্য ৷ আর শালতোড়া বিধানসভার বিধায়ক হঠাৎ করে না জানিয়ে যে দিন পঞ্চায়েতে এসে উপস্থিত হয়েছিলেন, সেই দিন অসুস্থ থাকার জন্য পঞ্চায়েতে আসতে পারিনি ৷ এমনকি ওইদিন বিডিও অফিসের মিটিংয়েও আমি উপস্থিত থাকতে পারিনি ৷ আপনারা এলাকায় খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন আমি পঞ্চায়েতে উপস্থিত থাকি কি না”।

এদিন তিনি বিধায়ক চন্দনা বাউরির উপস্থিতি নিয়ে পাল্টা প্রশ্ন তোলেন পঞ্চায়েত প্রধান। তিনি বলেন, “আমাকে অনেক জন এসে বলেন এমএলএ-র সই চাই ৷ কিন্তু তাঁকে পাওয়া যায় না “৷

এদিকে পঞ্চায়েত কর্মী-সহ স্থানীয় বাসিন্দারা অবশ্য দাবী করে যে পঞ্চায়েত প্রধান প্রতিদিনই পঞ্চায়েতে আসেন। সমস্ত কাজেই পাওয়া যায় তাঁকে। সাধারণ মানুষের কোনও অসুবিধা হয় না বলেই দাবী তাদের।

Related Articles

Back to top button