সব খবর সবার আগে।

বিজেপিতে থেকে কাজ করা যাচ্ছে না! বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা বিজেপি সহ-সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা মুকুল ঘনিষ্ঠ’র

৩ বছর ৯ মাস বিজেপিতে কাটিয়ে গতকালই গেরুয়া শিবিরকে ঝটকা দিয়ে তৃণমূলে চলে গেছেন মুকুল রায়। তৃণমূল-বিজেপি-তৃণমূল তাঁর এই রং বদলে বেজায় বিপাকে পড়েছে তাঁর সঙ্গেই দল ত্যাগ করা তৃণমূল নেতারা। এবার তাঁরাও বিজেপি ছেড়ে ফিরতে চান তৃণমূলে। আর এই প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে।

মুকুল তৃণমূলের পথে পা বাড়িয়েছেন জানার সঙ্গে সঙ্গেই ইস্তফা দিলেন মুকুল ঘনিষ্ঠ বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সহ-সভাপতি তপন সিনহা।‌

আরও পড়ুন- তৃণমূলের রাজ্যসভার সংসদ পদে বসতে চলেছেন মুকুল রায়

গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার সকালে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে তাঁর ইস্তফাপত্র বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বনস্পতি দেবের কাছে পাঠিয়ে দেন তপনবাবু।

সেই সঙ্গে একটি ভিডিও বার্তাও পোস্ট করেন, যেখানে তিনি বিজেপির নেতা-কর্মীদের সম্মান জানান।

নিজের বক্তব্যে তিনি স্পষ্ট বলেন, মুকুল রায় তাঁর রাজনৈতিক ‘গুরু’। মুকুল রায়ের সঙ্গেই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে এসেছিলেন তিনি। এতদিন যাবৎ বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা তৈরি হওয়ার পর থেকেই তিনি সামলেছেন সহ-সভাপতির পদ।

কিন্তু এরপর‌ই বিজেপির বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিককালে দলে থেকে ঠিকমতো কাজ করতে পারছেন না। কিন্তু এর জন্য কাউকে দোষারোপ করেন নি তিনি।

কিন্তু রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মুকুল তৃণমূলে ফিরতেই দল ছাড়লেন তপন। এবার হয়তো ফের তৃণমূলে দেখা যাবে তাঁকে।

আরও পড়ুন- ‘মস্তক মুণ্ডন করে পাপ খণ্ডাব’, মুকুল বিদায়ে প্রথম প্রতিক্রিয়া সৌমিত্র খাঁর

মুকুলের মতো তাঁকেও কটাক্ষের শিকার হতে হয়। বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি দেবদাস মণ্ডল বলেন, “তৃণমূল থেকে তিনি বিজেপিতে এসেছিলেন হয়তো বা কোনও স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য। কিন্তু দল ক্ষমতায় না আসায় হয়তো তাঁর স্বার্থ চরিতার্থ হচ্ছে না। তাই দলত্যাগ করছেন। এতে দলের কোনও ক্ষতি হবে না।”

You might also like
Comments
Loading...