রাজ্য

বাংলায় NRC চালু করার কোনও পরিকল্পনা নেই, তবে চালু হবে CAA, জানালেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়

তৃণমূল-বিজেপির লড়াই নিয়ে উত্তাল বাংলা। বাংলায় ক্ষমতায় এলে সাধারণ মানুষের নাগরিকত্বের অধিকার ছিনিয়ে নেবে বিজেপি। বাংলায় তৃতীয় দফা ভোটের আগে একাধিক মঞ্চ থেকে তৃণমূলের তরফে এমন দাবি করা হয়েছে। তবে এদিন বাংলায় বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয় শাসকদলের সেই দাবি কার্যত উড়িয়ে দিলেন।

স্পষ্টভাবে জানালেন, বিজেপি বাংলায় ক্ষমতায় এলেও NRC চালু হবে না। তবে CAA অবশ্যই চালু হবে।

আরও পড়ুন-অস্বস্তিতে শাসক! কুণাল, শতাব্দী, দেবযানীর প্রায় ৩ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি

বাংলায় বিজেপির পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয় এদিন বলেছেন, বাংলায় NRC চালু করার কোনও পরিকল্পনা আমাদের নেই। তবে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন চালু করা হবে। কারণ ধর্মীয় উৎপীড়নের জেরে পড়শি দেশ থেকে ভারতে আসা শরণার্থীদের আমরা ঠাঁই দিতে চাই। আর বিজেপির সংকল্পপত্রেও এই ব্যাপারে আমরা উল্লেখ করেছি।

আরও পড়ুন- ‘ঘরে সবার মা-বোন আছে, ভোটটা ভেবে দিবি’, কৌশানির ভিডিও ঘিরে বিতর্ক

বিজেপির তরফে জানানো হয়েছিল, CAA চালু হলে কম করে দেড় কোটি শরণার্থীর লাভ হবে। কারণ তাঁরা পড়শি দেশ থেকে ভারতে আসতে বাধ্য হয়েছেন। কিন্তু এদেশে তাঁদের স্থায়ী নাগরিকত্ব নেই। CAA চালু হলে শুধুমাত্র বাংলাতেই এমন ৭২ লাখ শরণার্থীর ফায়দা হবে বলে গেরুয়া শিবিরর তরফে দাবি করা হয়েছে। এদিন বিজয়বর্গীয় বলেছেন, তৃণমূলের তরফে মিথ্যে প্রচার করা হচ্ছে। বাংলায় কারও নাগরিকত্ব ছিনিয়ে নেওয়া হবে না। তিনি এমনও জানিয়েছেন, CAA-এর মতো আইনের বিরোধিতা কেন‌ও করছে তৃণমূল সেটা তাঁরা বুঝতেই পারছেন না। এই আইন চালু হলে বহু মানুষের ভাল হবে বলে দাবি করেছেন তিনি। ১৯৫০ সালের পর এদেশে চলে আসতে বাধ্য হয়েছিলেন মতুয়া সম্প্রদায়ের বহু মানুষ। বাংলায় ৩০ লাখ মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষের বাস। মূলত নদীয়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণায় ছড়িয়ে রয়েছেন তাঁরা। সিএএ চালু হলে মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষের লাভ হবে বলে দাবি করেন কৈলাস।

Related Articles

Back to top button