রাজ্য

অনুব্রতর চালকলে ঢুকেই চোখ কপালে সিবিআইয়ের, মিলল ৫টি দামি বিদেশী গাড়ি, গাড়িতে লেখা ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকার’, শুরু জোর তদন্ত

বোলপুরে অনুব্রত মণ্ডলের চালকল ভোলে ব্যোমে হানা দেয় সিবিআই। তাঁর স্ত্রী ও কন্যার নামে রয়েছে এই চালকলটি। তবে এদিন এই চালকলের মধ্যে ঢুকেই কার্যত চোখ কপালে ওঠে সিবিআইয়ের। চালকলের ভিতরে ঢুকতেই তাজ্জব আধিকারিকরা।

এদিন অনুব্রত মণ্ডলের এই চালকলের ভেতর ঢুকেই সিবিআইয়ের চোখে পড়ে একাধিক ঝাঁ চকচকে সব বিদেশী গাড়ি। আর এই সব গাড়িতেই লেখা ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকার’।  এর মধ্যে রয়েছে পাইলট কার। কিন্তু এই গাড়ির মালিক কে আর কেনই বা ওই গাড়িগুলিতে সরকারি স্টিকার লাগানো রয়েছে, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

আজ, শুক্রবার সকালেই অনুব্রতর ভোলে ব্যোম চালকলে হানা দেয় সিবিআই। কিন্তু আধিকারিকরা গিয়ে দেখেন যে গেটে তালা। এরপর প্রায় ৪০ মিনিট অপেক্ষা করেন তারা। তারপর নিরাপত্তা রক্ষীরা এসে গেট খোলেন তারা। আর চালকলের ভিতরে ঢুকেই হতবাক হয়ে যান তারা।

সিবিআই আধিকারিকরা দেখেন যে চালকলের ভিতর সাজানো রয়েছে একাধিক বিদেশী গাড়ি। মোট ৫টি গাড়ি ছিল সেখানে। এর মধ্যে ৪টি এসইউভি ও একটি হুড খোলা গাড়ি। এর মধ্যে একটি গাড়িতে রাজ্য সরকারের স্টিকার রয়েছে বলেও খবর।

এই গাড়িগুলির মালিক আদতে কে, তা জানার চেষ্টা করেন সিবিআই আধিকারিকরা কিন্তু নিরাপত্তা রক্ষীরা কোনও প্রশ্নের উত্তর দেয় নি তারা। কেন আধ ঘণ্টা দেরিতে গেট খোলা হল তা জানারও চেষ্টা করেন আধিকারিকরা। কিন্তু তারও কোনও সঠিক উত্তর মেলেনি। যে চালকল গত দু’মাস ধরে বন্ধ, সেখানে এত কর্মী কী করছে, তা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন।

সূত্রের খবর, ২০১৩ সালে কেনা হয় এই চালকলটি। মোট ৪৫ বিঘা জমির উপর তৈরি এই চালকল। আনুমানিক ৫ কোটি টাকা দিয়ে চালকলটি কিনেছিলেন অনুব্রত। শুধু তাই নয়, ওই চালকল বিক্রি করতে আগের মালিক হারাধন মণ্ডলকে নাকি এক প্রকার চাপ দিয়ে বাধ্য করা হয়। তবে ব্যবসা চালাতে না পেরে শেষমেশ কলটি বিক্রি করে দেন তিনি।

Related Articles

Back to top button