সব খবর সবার আগে।

রোজভ্যালি থেকে নিয়মিত টাকা যেত তৃণমূলে! চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস

রোজভ্যালি কাণ্ড নিয়ে ফের তৎপর হতেই এবার রহস্যের জাল গোটানো শুরু হয়েছে। ফের রোজভ্যালি নিয়ে নয়া তথ্য উঠে এল সিবিআইয়ের হাতে। এই সংস্থা থেকে নিয়মিত টাকা যেত শাসকদলের। এর স্বপক্ষে মিলল জোরদার প্রমাণ।

১৯৯৭ সালে পশ্চিমবঙ্গে ব্যবসা শুরু করে রোজভ্যালি। অভিযোগ, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া ও রেজিস্টার অফ কোম্পানির অনুমোদন ছাড়াই দেড় দশকের বেশি সময় ধরে বাজার থেকে টাকা তোলে এই সংস্থা। ২০১৩ সালে রোজভ্যালি চিটফান্ড কাণ্ডের জন্য তদন্ত শুরু করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। এরপরই সংস্থার কর্ণধার গৌতম কুণ্ডুকে গ্রেফতার করে ইডি। সেই সময় বাজেয়াপ্ত করা হয় গৌতম কুণ্ডুর ল্যাপটপ, মোবাইল ও জরুরি নথিপত্র। এরপর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ২০১৪ সালে রোজভ্যালি কাণ্ডের তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের উপর।

আরও পড়ুন-

চলতি বছরের শুরুর থেকেই ফের এই চিটফান্ড নিয়ে তদন্তে তৎপর হয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এই সময় গ্রেফতার হন অ্যালকেমিস্ট কর্ণধার তথা প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ কেডি সিং। গ্রেফতার করা হয় গৌতম কুণ্ডুর স্ত্রী শুভ্রা কুণ্ডুকেও। গৌতম কুণ্ডু গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই সংস্থা চালনার দায়িত্বে রয়েছেন শুভ্রা। সংস্থা কীভাবে চালানো হবে, তা জেল থেকে শুভ্রাকে নির্দেশ দিতেন গৌতম। ফলে আমানতকারীদের টাকা থেকে সংগৃহীত টাকা কোথায় গেল, বা অন্য কোনও খাতে তা ব্যয় করা হয়েছে কী না, সেই সমস্ত তথ্য শুভ্রার কাছেই রয়েছে বলে অনুমান সিবিআই-এর। কিন্তু তারপরেও তিনি তদন্তে সহযোগিতা করেননি।

শুভ্রা কুণ্ডু দক্ষিণ কলকাতার যে ফ্ল্যাট থেকে গ্রেফতার হন, সেই ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয়েছে বেশ কিছু তথ্য যা থেকে প্রমাণ হয় যে রোজ ভ্যালি সংস্থা থেকে টাকা যেত তৃণমূলের কাছে। তথ্যে দেখা গিয়েছে যে বেশ কয়েকবার গৌতম কুণ্ডু টাকা দিয়েছেন শাসকদলে। কিন্তু যদি সৎ পথেই সেই টাকা দেওয়া হয়ে থাকবে, তাহলে সেই টাকার কোনও নথিপত্র নেই কেন? তাছাড়া, এই ফ্ল্যাট থেকেই উদ্ধার হয়েছে কয়েকটি ব্ল্যাঙ্ক চেক। এই চেকের মাধ্যমেই কী শুভ্রা কুণ্ডু টাকা পাঠাতেন শাসকদলকে যাতে গৌতম কুণ্ডু জেলে থাকা সত্ত্বেও তিনি এই বিশাল সাম্রাজ্য চালিয়ে যেতে পারেন?

আরও পড়ুন-

রোজভ্যালি কাণ্ড নিয়ে ফের তৎপর হতেই এবার রহস্যের জাল গোটানো শুরু হয়েছে। ফের রোজভ্যালি নিয়ে নয়া তথ্য উঠে এল সিবিআইয়ের হাতে। এই সংস্থা থেকে নিয়মিত টাকা যেত শাসকদলের। এর স্বপক্ষে মিলল জোরদার প্রমাণ।

১৯৯৭ সালে পশ্চিমবঙ্গে ব্যবসা শুরু করে রোজভ্যালি। অভিযোগ, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া ও রেজিস্টার অফ কোম্পানির অনুমোদন ছাড়াই দেড় দশকের বেশি সময় ধরে বাজার থেকে টাকা তোলে এই সংস্থা। ২০১৩ সালে রোজভ্যালি চিটফান্ড কাণ্ডের জন্য তদন্ত শুরু করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। এরপরই সংস্থার কর্ণধার গৌতম কুণ্ডুকে গ্রেফতার করে ইডি। সেই সময় বাজেয়াপ্ত করা হয় গৌতম কুণ্ডুর ল্যাপটপ, মোবাইল ও জরুরি নথিপত্র। এরপর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ২০১৪ সালে রোজভ্যালি কাণ্ডের তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের উপর।

আরও পড়ুন- বামসমর্থক মহিলাদের বক্ষ ছুঁতে চাইলেন বিজেপি নেতা, তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া

চলতি বছরের শুরুর থেকেই ফের এই চিটফান্ড নিয়ে তদন্তে তৎপর হয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এই সময় গ্রেফতার হন অ্যালকেমিস্ট কর্ণধার তথা প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ কেডি সিং। গ্রেফতার করা হয় গৌতম কুণ্ডুর স্ত্রী শুভ্রা কুণ্ডুকেও। গৌতম কুণ্ডু গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই সংস্থা চালনার দায়িত্বে রয়েছেন শুভ্রা। সংস্থা কীভাবে চালানো হবে, তা জেল থেকে শুভ্রাকে নির্দেশ দিতেন গৌতম। ফলে আমানতকারীদের টাকা থেকে সংগৃহীত টাকা কোথায় গেল, বা অন্য কোনও খাতে তা ব্যয় করা হয়েছে কী না, সেই সমস্ত তথ্য শুভ্রার কাছেই রয়েছে বলে অনুমান সিবিআই-এর। কিন্তু তারপরেও তিনি তদন্তে সহযোগিতা করেননি।

শুভ্রা কুণ্ডু দক্ষিণ কলকাতার যে ফ্ল্যাট থেকে গ্রেফতার হন, সেই ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয়েছে বেশ কিছু তথ্য যা থেকে প্রমাণ হয় যে রোজ ভ্যালি সংস্থা থেকে টাকা যেত তৃণমূলের কাছে। তথ্যে দেখা গিয়েছে যে বেশ কয়েকবার গৌতম কুণ্ডু টাকা দিয়েছেন শাসকদলে। কিন্তু যদি সৎ পথেই সেই টাকা দেওয়া হয়ে থাকবে, তাহলে সেই টাকার কোনও নথিপত্র নেই কেন? তাছাড়া, এই ফ্ল্যাট থেকেই উদ্ধার হয়েছে কয়েকটি ব্ল্যাঙ্ক চেক। এই চেকের মাধ্যমেই কী শুভ্রা কুণ্ডু টাকা পাঠাতেন শাসকদলকে যাতে গৌতম কুণ্ডু জেলে থাকা সত্ত্বেও তিনি এই বিশাল সাম্রাজ্য চালিয়ে যেতে পারেন?

আরও পড়ুন- এবার বিজেপি জিতলে এক ভূমিকন্যা হবেন মুখ্যমন্ত্রী! জানুন কে?

এর আগে রোজ ভ্যালি কাণ্ডের জেরে জেল খেটেছেন তৃণমূল নেতা প্রয়াত তাপস পাল ও সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। চিটফান্ড হোক বা কয়লা পাচারকাণ্ড বা গরু পাচারকাণ্ড, সব ক্ষেত্রেই নাম জড়িয়েছে শাসকদলের। এখন এই ভোটের মাঝে এই ধরণের তথ্য মেলায় বেশ চাপের মুখে পড়েছে তৃণমূল।

এর আগে রোজ ভ্যালি কাণ্ডের জেরে জেল খেটেছেন তৃণমূল নেতা প্রয়াত তাপস পাল ও সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। চিটফান্ড হোক বা কয়লা পাচারকাণ্ড বা গরু পাচারকাণ্ড, সব ক্ষেত্রেই নাম জড়িয়েছে শাসকদলের। এখন এই ভোটের মাঝে এই ধরণের তথ্য মেলায় বেশ চাপের মুখে পড়েছে তৃণমূল।

You might also like
Comments
Loading...