সব খবর সবার আগে।

কয়লা পাচার তদন্তে ইসিএল কর্তার বাড়িতে সিবিআই, তল্লাশি অভিযান সিআইএসএফ কর্তার বাড়িতেও

কয়লা পাচার-কাণ্ডে তদন্তের জন্য বেশ কোমর বেঁধে লেগেছে সিবিআই। আসানসোল ও ফরাক্কায় অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আসানসোলে ইসিএল কর্তার বাড়িতে হানা দেয় সিবিআই। এদিকে আবার ফরাক্কায় সিআইএসএফ কর্তার বাড়িতেও চালানো হয় অভিযান।

কয়লা পাচারকাণ্ডে তদন্তে নেমে সিবিআই জানতে পারে যে বেশ কিছু ইসিএল ও সিআইএসএফ জওয়ানদের মদতে এই কয়লা পাচার চলত। এমনকি, কয়লা পাচার কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত অনুপ মাজি ওরফে লালাও এই কর্তা ও জওয়ানদের সাহায্যেই পাচার চালাত।

আরও পড়ুন- ১৮ বছর হয়নি, অথচ জব কার্ড পেয়েছেন একাধিক তৃণমূল নেতার মেয়েরা, অভিযোগে সরব স্থানীয়রা

এর আগে কয়লা পাচার কাণ্ডে বেশ কিছু আধিকারিকের নামে এফআইআর করা হয়। এরপর গতকাল, বৃহস্পতিবার একদিকে আসানসোল ও অন্যদিকে ফরাক্কায় সিআইএসএফ ও ইসিএল কর্তার বাড়িতে অভিযান চালায় সিবিআই। তাদের অফিসেও তল্লাশি করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, তাদের বাড়ি থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদ্ধার করা হয়েছে। এর পাশাপাশি মিলেছে প্রচুর সম্পত্তির হদিশ। তাদের আয়ের উৎস, আধিকারিকরা এত টাকা কোথা থেকে পেলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এর আগেও একাধিক ইসিএল কর্তাদের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছে। তাদের থেকেও অনেক তথ্য উদ্ধার করা হয়েছে। সেসব আধিকারিকদের থেকে আরও নানান ইসিএল কর্তাদের নাম পাওয়া গিয়েছে। সিবিআই সূত্রের খবর, একে একে সকলের বাড়িতে হানা দেওয়া হবে।

এই কয়লা কাণ্ডে গত বেশ কিছুমাস ধরেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নজরে রয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। চলতি মাসের শুরুতেই এই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে দিল্লির সদর দফতরে তলব করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। সিবিআই ছাড়াও কয়লা পাচার কাণ্ডের তদন্ত করছে ইডি। অভিষেক ছাড়াও তাঁর স্ত্রী রুজিরা নারুলাকেও ডেকে পাঠায় ইডি। অভিষেকের স্ত্রী হাজিরা না দিলেও, তিনি নিজে হাজিরা দিয়েছিলেন। তবে দ্বিতীয়বার তলব করার পর তিনি আর যান নি।

আরও পড়ুন- হঠাৎই সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা তৃণমূল নেত্রী অর্পিতা ঘোষের, কেন এমন সিদ্ধান্ত? কারণ জানিয়ে চিঠি অভিষেককে

এরই মধ্যে কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে ইডি-র আধিকারিকদের হাজিরা দেওয়ার জন্য নোটিশ পাঠানো হয়। এর জেরে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অনুমান করছে যে কলকাতা পুলিশ তাদের তদন্তে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে। কলকাতা পুলিশের এই নোটিশ খারিজের দাবী জানিয়ে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা দায়ের করে ইডি।

You might also like
Comments
Loading...