রাজ্য

ভোট পরবর্তী হিংসার মামলায় অনুব্রতকে তলব সিবিআইয়ের, কিন্তু ‘অসুস্থ’ বলে হাজিরা এড়ালেন তৃণমূল নেতা

এবার ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় তলব করা হল অনুব্রত মণ্ডলকে। আজ, শুক্রবার বীরভূমের সিবিআইয়ের একটি ইউনিট বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতিকে ডেকে পাঠায় বলে জানা যায়। কিন্তু তিনি তদন্তকারীদের জানান যে তিনি অসুস্থ। হাজিরা দিতে গেলেন না অনুব্রত।

ভোট পরবর্তী হিংসার মামলার তদন্ত করছে সিবিআই। চারটি জোনে ভাগ হয়ে তদন্ত চালাচ্ছে তারা। প্রত্যেক জোনে রয়েছে ২১ জন করে তদন্তকারী অফিসার। বীরভূমে তাদের যে ইউনিট রয়েছে, সেখান থেকে ডাক পড়ে অনুব্রতর। বিজেপি কর্মী গৌরব সরকারের খুনের মামলার তদন্ত করার জন্যই ডেকে পাঠানো হয় তাঁকে। এই মামলায় এর আগে একাধিককে গ্রেফতার করেছে সিবিআই।

সিবিআই সূত্রে খবর, সেই সূত্র থেকেই উঠে আসে অনুব্রত মণ্ডলের নাম।  এরপর শুক্রবার তলব করা হয় তাঁকে। কিন্তু হাজিরা দেননি অনুব্রত মণ্ডল। জানা গিয়েছে, পরবর্তীকালে তাঁকে আবার নোটিস পাঠানো হবে। সিবিআইয়ের মতে, এই ঘটনায় অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে কথা বলা দরকার। তবে দ্বিতীয় নোটিস কবে পাঠানো হবে, তা দিল্লির সদর দফতরে আলোচনার পরই চূড়ান্ত হবে বলে সূত্রের খবর।

উল্লেখ্য, গত ২রা মে বিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের দিন গোপালনগর গ্রামে গৌরব সরকার নামে এক বিজেপি কর্মীকে পিটিয়ে মারার অভিযোগ ওঠে। বিজেপি জেলা নেতৃত্বের অভিযোগ, ভোটের ফল প্রকাশের পর বিজয় মিছিল করে স্থানীয় তৃণমূলের নেতারা। সেই বিজয় মিছিল থেকে গৌরব সরকারের উপর চড়াও হন একদল যুবক।

এদিন ঘটনাস্থলেই গৌরবের মৃত্যু হয় বলে দাবী। ঘটনার তদন্তে নেমে প্রথমেই দিলীপ মৃধা নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে সিবিআই। তিনি তৃণমূলের লোক বলেই অভিযোগ ওঠে। গ্রেফতারের পরদিনই ইলামবাজারে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে সম্পাদককে একটি নোটিস দেওয়া হয়। সেই ঘটনার তদন্তে এবার অনুব্রতর ডাক পড়ল।

আজ, শুক্রবার সকাল থেকেই নানান বিষয়ে অনুব্রতকে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হতে দেখা গিয়েছে। এরপরই খবর মেলে যে সিবিআইকে তাঁর অসুস্থতার কথা জানানো হয়েছে। এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চান নি বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতি। তাঁর কথায়, তিনি যা বলার সিবিআইকেই বলবেন।

Related Articles

Back to top button