সব খবর সবার আগে।

‘জাগো বাংলা’য় তৃণমূলনেত্রীর ভূয়সী প্রশংসা বামনেতা অনিলকন্যা অজন্তার, সিপিএম সদস্যকে শোকজ করল দল

তৃণমূলের মুখপত্র ‘জাগো বাংলা’তে বামনেতা অনিল বিশ্বাসের কন্যা অজন্তা বিশ্বাসের একটি উত্তর সম্পাদকীয় প্রকাশিত হয়েছে। এই লেখার শেষ কিস্তিতে উঠে এসেছে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূয়সী প্রশংসা। আর এর জেরেই তীব্র চটেছে বামেরা।

জানা গিয়েছে, এর জেরে একসময়ের দাপুটে বামনেতা অনিল বিশ্বাসের কন্যা তথা সিপিএম সদস্য অজন্তা বিশ্বাসকে শোকজ করছে দল। আজ। শনিবার কলকাতা জেলা সম্পাদক তথা সিপিএম রাজ্য সম্পাদক কল্লোল মজুমদারের তরফে এমনটাই জানানো হয়েছে। অন্যদিকে, অজন্তার দাবী, এই লেখায় উঠে এসেছে দলমত নির্বিশেষে বাংলার রাজনীতিতে মহিলাদের লড়াইয়ের কথা। তাই তৃণমূলনেত্রীর কথা থাকাও স্বাভাবিক।

আরও পড়ুন- ‘চললাম, আলবিদা’, ফেসবুকে অভিমান জাহির করে রাজনীতি থেকে বিদায় নিলেন বাবুল সুপ্রিয়

তৃণমূলের মুখপত্র ‘জাগো বাংলা’য় নিজের লেখার জন্য দলের অন্দরে সমালোচিত হন অধ্যাপক অজন্তা বিশ্বাস। তাঁর এই লেখার প্রথম কিস্তি প্রকাশের দিনই এই নিয়ে চর্চায় আসেন তিনি। সকলেরই নজর ছিল ‘বঙ্গরাজনীতিতে নারীশক্তি’ শীর্ষক উত্তর সম্পাদকীয়তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্বন্ধে কী লেখেন তিনি, সেই দিকে।

অবশেষে আজ সেই লেখা প্রকাশিত হল। আর সেখানে তৃণমূল সুপ্রিমো প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন অজন্তা। বঙ্গ রাজনীতিতে তাঁর লড়াইয়ের জন্য তাঁকে কুর্নিশ জানিয়েছেন তিনি। এমনকি, মমতাকে ‘ইতিহাসের সেরা বাঙালি মহিলা রাজনীতিবিদ’ও বলেছেন তিনি। তৃণমূলনেত্রীর নন্দীগ্রামে লড়াইয়ের কথাও উঠে এসেছে অজন্তার কলমে।

শেষ কিস্তির এই লেখা প্রকাশিত হওয়ার পরই অজন্তাকে শোকজ করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। এই বিষয়ে সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য কল্লোল মজুমদারের বলেন, “লেখার প্রথম কিস্তি প্রকাশিত হওয়ার পরই আমি বলেছিলাম এটা ঠিক নয়। কারণ অজন্তা আমাদের দলের সদস্য। আর জাগো বাংলা সম্পূর্ণ বিরোধীদলের মুখপত্র। দলের বহু সদস্যই অন্যান্য সংবাদপত্রে লেখেন। তাতে সমস্যা নেই। কিন্তু বিরোধী দলের মুখপত্রে এ ধরনের লেখা মেনে নেওয়া যায় না”।

আরও পড়ুন- ‘সহকর্মী’ বাবুলের রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে কিছুই জানেন না, জানালেন দিলীপ ঘোষ

এই বিষয়ে অজন্তার দাবী, “এটা বাংলার স্বাধীনতার আগে থেকে মহিলাদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নিয়ে প্রবন্ধ। তাতে যেমন কংগ্রেসের মহিলাদের কথা উঠে এসেছে, তেমনই বামপন্থী মহিলাদের কথাও উঠে এসেছে। পুরুষদের সঙ্গে অসমে লড়াইয়ে নিজের বিশেষ জায়গা করে নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এ রাজ্যের প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী। তাই এই লেখায় তাঁর কথা আসবেই। আমি চেয়েছিলাম দল মত নির্বিশেষে সকল বাঙালি মহিলার রাজনৈতিক লড়াইয়ের কথা সকলের কাছে পৌঁছে যাক”।

You might also like
Comments
Loading...