সব খবর সবার আগে।

আমফান বিপর্যয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৮০, জাতীয় বিপর্যয় ঘোষণার দাবি মুখ্যমন্ত্রীর!

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

ধ্বংসস্তূপ থেকে আরও আটটি দেহ উদ্ধারের সঙ্গে সঙ্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৮০। শুক্রবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই কথা জানান। এই ঘটে যাওয়া দুর্যোগকে তিনি জাতীয় বিপর্যয় বলে ঘোষণা করারও দাবি জানান।

ইতিমধ্যেই শহরে এসে গেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে আকাশপথে বিপর্যস্ত এলাকা ঘুরে দেখছেন। তৃণমূল সূত্রে খবর যে রাজ্যের জন্য আর্থিক প্যাকেজের দাবি করবেন মুখ্যমন্ত্রী। কোভিডে রাজ্য কোনও সাহায্য পায়নি, এই দাবি করে তৃণমূল সূত্রে বলা হয়েছে যে আশা করা যায় এবার হয়তো সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবে কেন্দ্র।

এদিকে ঘূর্ণিঝড়ের জেরে কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে দক্ষিণবঙ্গ। পরিস্থিতি দেখে মাথায় হাত প্রশাসনের। ইলেকট্রিসিটির পোল উপড়ে পড়েছে, সাঁকো ভেঙে গেছে, গাছ রাস্তায় পড়া। ধীরে ধীরে এনডিআরএফ ও স্থানীয় প্রশাসন সেই সব সরাচ্ছে।

সংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে যে, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও কলকাতার কিছু অংশে ফের চালু হয়েছে বিদ্যুত ও মোবাইল পরিষেবা। তবে এখনও কার্যত অন্ধকারে ডুবে রাজ্যের বহু অংশ। কবে আলো আসবে, কবে কী হবে, সদুত্তর নেই কারোর কাছেই। প্রশাসন সাধ্যমতো চেষ্টা করলেও এতটাই ক্ষতি হয়েছে যে সেই ধাক্কা সামলে উঠতে বেশ কিছুদিন সময় লেগে যাবে।

মৃতদের পরিবারদের ক্ষতিপূরণ স্বরূপ দুই লক্ষ টাকা করে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন মমতা। একই সঙ্গে প্রাথমিক ভাবে ত্রাণ ও পুনর্গঠনের কাজের জন্য হাজার কোটি টাকার ফান্ড বানিয়েছেন তিনি। এখনও পর্যন্ত কলকাতায় মারা গিয়েছেন ১৯জন, ২৭জন উত্তর ২৪ পরগনায়, ১৪জন দক্ষিণ ২৪ পরগনায়।

বিভিন্ন জেলায় ত্রাণ শিবির চালু করা হয়েছে। পাম্পিং স্টেশন চালু করে জমা জল বার করার প্রচেষ্টা চলছে। রাস্তা পরিষ্কার করতে গাছ কাটার মেশিন‌ও ব্যবহার করা হচ্ছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.