রাজ্য

‘দলবদল করতে চাওয়া কোনও নেতার সঙ্গে আমার যোগাযোগ নেই’, মিঠুনের মন্তব্যে তাঁর উপরেই দায় চাপিয়ে বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ

কিছুদিন আগেই হুগলীর এক সভায় গিয়ে মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty), সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) দাবী করেছিলেন যে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে আসার জন্য অনেক বিধায়কই নাকি বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। তবে এবার অন্য সুরই শোনা গেল বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) গলায়। তাঁর স্পষ্ট কথা, “আমি দলবদলের ব্যাপারে কিছু জানি না। যাঁরা যোগাযোগ রাখছেন তাঁরা বলতে পারবেন। দলবদল করার জন্য কারও সঙ্গে আমি যোগাযোগ রাখি না”।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি মিঠুন চক্রবর্তী এসেছিলেন কলকাতায়। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি সেই সময় বলেছিলেন, “তৃণমূলের ৩৮ জন আমাদের সঙ্গে রয়েছে। তার মধ্যে ২১ জন আমার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখছে। এমন অনেকে রয়েছেন, তৃণমূলে যাঁদের দমবন্ধ মনে হচ্ছে। সবাই তো চুরি করেন নি। চুরি না করেও তাঁদের গায়ে আঁচ পড়ছে। তাঁরা সবাই সমান নয়”।

এরপরই বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছিলেন, “মিঠুনদার কাছে যদি ২১ জনের নাম থাকে, আমাদের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে অন্তত ৪১ জনের নাম থাকবে”। যদিও সুকান্ত-মিঠুনের মন্তব্যে তাল কেটে গতকাল, বৃহস্পতিবার হুগলীর সিঙ্গুর থেকে দিলীপ ঘোষ বলেন, “দলবদল করতে চাওয়া কোনও নেতার সঙ্গে আমার যোগাযোগ নেই”।

শুধু তাই-ই নয়, এদিন সিঙ্গুরে কাশফুল থেকে বালিশ বানিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কটাক্ষ করেন দিলীপবাবু। এর আগেও এই নিয়ে শাসক দলকে আক্রমণ শানিয়েছিলেন তিনি। এবার বালিশের খোল নিয়ে তিনি পৌঁছে যান কাশফুলের বনে। বলেন,“বালিশ হবে কিনা আমরা দেখব। বালিশের ওয়ারও নিয়ে এসেছি। কাশফুল দিয়ে কীভাবে বালিশ তৈরি করা যায় আমরা সেই টেকনোলজি ব্যাবহার করার চেষ্টা করছি”। তৃণমূলকে কটাক্ষ করে বিজেপি সাংসদ আরও বলেন, “সিঙ্গুরে শিল্প নেই, কৃষি নেই। রয়েছে শুধু কাশফুল”।

এখানেই শেষ নয়, এদিন এসএসসি দুর্নীতি নিয়েও সরকারকে তুলোধোনা করেন মেদিনীপুরের সাংসদ। বলেন, “এই দুর্নীতি হিমশৈলের চূড়া মাত্র। লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রতারিত হয়েছে। কোটি কোটি টাকা লুট হয়েছে। ইডির তদন্তের উপর আমাদের ভরসা আছে। আমাদের আদালতের ওপর ভরসা আছে”।

Related Articles

Back to top button