রাজ্য

‘পশ্চিমবঙ্গ বারুদের স্তূপের উপর বসে আছে’, বাংলায় ফের জঙ্গি গ্রেফতারির ঘটনায় বেলাগাম দিলীপ, পাল্টা তোপ কুণালেরও

আরও এক আল কায়দা (Al Qaeda) জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স (special task force)। এই নিয়ে রাজ্য-রাজনীতিতে ব্যাপক হইচই পড়েছে। এবার রাজ্য প্রশাসনকে একহাত নিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তার পাল্টা জবাব দিলেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)।

আজ, সোমবার সকালে ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণে গিয়ে দিলীপ ঘোষ জঙ্গি গ্রেফতারি সম্পর্কে বলেন, “মথুরাপুর এমন জঙ্গির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে যে দিনের পর দিন অনেকের ব্রেন ওয়াশ করেছে। বাংলাদেশ থেকে ঢুকে এখানে থাকছে। এখান থেকে জাল বিস্তার করছে। হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বীরভূম, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, মালদহে জঙ্গি ঘাঁটি রয়েছে। পুলিশ জানে তাই হাত দেবে না। কারণ এর সঙ্গে রাজনীতি যুক্ত আছে। সরকার জানে ভোটের ব্যাপার আছে। সে কারণে ভারতের সমস্ত জঙ্গি মডিউল চলে এসেছে এখানে”।

মেদিনীপুরের সাংসদ আরও বলেন, “ডায়মন্ড হারবার থেকে জঙ্গি গিয়ে অন্য রাজ্যে অপারেশন করছে। বড় বড় শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটাচ্ছে। তার নেপথ্য রহস্য উদঘাটন হয় না। পশ্চিমবঙ্গ বারুদের স্তূপের উপর বসে আছে। আর এই সংখ্যাগুলি অস্ত্রশস্ত্রগুলোকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে ধীরে ধীরে। সেই জন্য রাজনীতিও রক্তরঞ্জিত হয়ে যাচ্ছে”।

দিলীপের এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে পাল্টা জবাব দিয়ে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, “রাজ্যে জঙ্গি ঢুকছে সীমান্ত পার করে। সীমান্তের নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব বিএসএফ নাকি কলকাতা পুলিশের? তা সত্ত্বেও রাজ্যে জঙ্গি ঢুকছে কীভাবে? বিএসএফ কাদের”?

বলে রাখি, আল কায়দা জঙ্গি সন্দেহে দক্ষিণ ২৪ পরগণার মথুরাপুরের বাসিন্দা মনউদ্দিন খান নামে এক কলেজ ছাত্রকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স। এসটিএফের কথায়, আল কায়দা জঙ্গি সন্দেহে ধৃত আজিজুল হককে জেরা করে উঠে আসে মনউদ্দিনের নাম। ওই ছাত্র জঙ্গি সংগঠনকে নিজের পরিচয়পত্র ও নানান নথি তুলে দেয়। সেই পরিচয়পত্রের মাধ্যমেই জঙ্গিদের সিমকার্ড ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট তৈরি করা হয়। এসটিএফ জানিয়েছে যে এই ছাত্র জঙ্গিদের স্লিপার সেল তৈরিতে সাহায্য করত।

Related Articles

Back to top button