সব খবর সবার আগে।

মমতার নির্দেশ অমান্য করেই রাজ্যে চলছে ব্যাপক আর্থিক দুর্নীতি! এবার সেচ দফতর এবং মৎস্য দফরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ করলেন দিলীপ ঘোষ!

ফের রাজ্যের বিভিন্ন দফতরে ঘটে চলা আর্থিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হলো রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। নিজের আয়োজন করা সাংবাদিক সম্মেলনে দিলীপ ঘোষ সেচ দফতর এবং মৎস্য দফরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির বড় অভিযোগ এনেছেন। দিলীপ ঘোষের অভিযোগ এর ফলে একদিকে যেমন পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে, তেমনভাবেই অন্যদিকে দুর্নীতির কোনও তদন্ত হচ্ছে না।

সেচ দফতরের বিরুদ্ধে পূর্ব কলকাতার জলাভূমিতে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন তিনি। এই ব্যাপারে তিনি ৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সালের জলাভূমি সংলগ্ন বাসন্তী হাইওয়ে ধরে অসংখ্য রবার ও চামরার ফ্যাক্টরি গড়ে ওঠার সরকারি রিপোর্ট পড়ে শোনান। কেএমসি ব্যবস্থা নেবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও সাতমাসের মধ্যেই সেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করার কথা জানানো হয়েছিল সরকারি তরফে। ২০১৬ সালের রিপোর্টে সেখানে ৩৮০ টি ফ্যাক্টরি থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছিল সরকারি রিপোর্টে। দাবি দিলীপের । সেই সময়কার জেলাশাসক জলাভূমির জমি অবৈধভাবে কেনাবেচার অভিযোগ করার পরেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও জানান তিনি ।

বেনফিসে চলা দুর্নীতির অভিযোগও তুলে ধরেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, সমুদ্রে যাঁরা মাছ ধরতে যান, তাঁদেরকে কো-অপারেটিভের মাধ্যমে লোন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ যাঁদের লোন দেওয়া হচ্ছে কিংবা হয়েছে তাঁরা মৎস্যজীবী নন। সেখানে সিন্ডিকেট এবং কাটমানির অভিযোগ তুলেছেন দিলীপ ঘোষ। এব্যাপারে রামনগর ও দেশপ্রাণের কো-অপারেটিভের নাম তিনি উল্লেখ করেন। একদিকে মৎস্যজীবীরা যেমন সাবসিডি পাচ্ছেন না, অন্যদিকে দুর্নীতির অভিযোগেরও কোনও তদন্ত হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর আরও অভিযোগ রায়গঞ্জের অতিথি নিবাসকে বিয়ে বাড়ি হিসেবে ভাড়া দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু সরকারি ভবনের ভাড়ার টাকা কার পকেটস্থ হয়? তার কোনও সদুত্তর নেই। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ সত্ত্বেও তা ভাড়া দেওয়ার কাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সব কিছু মুখ্যমন্ত্রীর হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

You might also like
Leave a Comment