রাজ্য

ভবানীপুরে একাধিক ওয়ার্ডে রিগিংয়ের অভিযোগ, ভুয়ো ভোটারকে হাতেনাতে ধরলেন বিজেপি প্রার্থী, তুমুল উত্তেজনা ভোটকেন্দ্রে

ভবানীপুরের একাধিক ভোটগ্রহণ কেন্দ্র থেকে রিগিংয়ের অভিযোগ উঠে এল। ভবানীপুরের খালসা স্কুলে ধরা পড়ল ভুয়ো ভোটার। বিজেপির তরফে অভিযোগ, এক যুবক কোনও নথি ছাড়াই ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে ঢুকে ভোট দিতে যাচ্ছিলেন। তাঁকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল। অভিযোগ, তৃণমূল ওই ভুয়ো ভোটারকে পাঠিয়েছে। তবে তৃণমূলের তরফে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়।

বিজেপির অভিযোগ, ভুয়ো ভোটার এনে ভোট করাতে চাইছে তৃণমূল। সেই ভোটারকে মারধর করা হয় বলেও জানা গিয়েছে। বিজেপির দাবী, ওই যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই সন্দেহ হয়। ভুয়ো এই ভোটারকে একেবারে হাতেনাতে ধরে ফেলেন প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল।

আরও পড়ুন- ভোটে অনীহা ভবানীপুরবাসীর, উদ্বিগ্ন হয়ে মমতার হয়ে ভোট চেয়ে টুইট করে বিতর্কে জড়ালেন ফিরহাদ, তোপ বিজেপির

এদিকে আবার তৃণমূলের তরফে দাবী করা হয়েছে। তাদের দাবী, যে যুবককে মারধর করা হয়েছে, তার কাছে বৈধ নথি ছিল। এরপরও ইচ্ছাকৃতভাবে অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করছে বিজেপি। ঘাসফুল শিবিরের দাবী বিজেপি পরিস্থিতি উত্তপ্ত করতেই এমন রটাচ্ছে বিজেপি।

এদিকে আবার  রমেশ মিত্র স্কুল এবং ভবানীপুর এডুকেশন সোসাইটির বুথেও ব্যাপক রিগিংয়ের অভিযোগ উঠেছে। আবার ৭০ নম্বর ওয়ার্ডেও ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ পেয়ে রিপোর্ট তলব করেছে কমিশন। প্রিসাইডিং অফিসারকে পুরো বিষয় খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভবানীপুর কেন্দ্রের ২৩টি বুথ থেকে কমিশনের কাছে ৪১টি অভিযোগ করা হয়েছে।

এদিনই আবার তৃণমূলের দুই নেতা তথা রাজ্যের দুই মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ও সুব্রত মুখোপাধ্যায় ব্যাপক বিতর্কে জড়ান। ভবানীপুরের মানুষের উদ্দেশ্যে টুইট করে এই দুই নেতা আবেদন জানান যাতে তারা ভোট দিতে যান। এর জেরে নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘন করেন তারা।

আরও পড়ুন- ‘যে হাত তাঁকে খাওয়ায়, সেই হাতেই কামড় বসান তিনি’, মমতাকে বিজেপির এজেন্ট বলে কটাক্ষ অধীরের

এই নিয়ে বিজেপির তরফে অভিযোগ তোলা হয়। গেরুয়া শিবিরের তরফে প্রশ্ন করা হয় যে ভোট চলাকালীন এমন কাজ কী করে করা যায়। এমন কাজ করে ওই দুই নেতা ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছেন। ভোট চলাকালীন এই দুই নেতাকে নজরবন্দি করার দাবীও তলাক হয় বিজেপির তরফে।

Related Articles

Back to top button