সব খবর সবার আগে।

আগামীকাল মমতার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য থেকে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়! রয়েছে আরও চমক

দীর্ঘদিনের ভোটের লড়াই শেষ। লড়াই শেষে জয়ের হাসিটা শেষ পর্যন্ত দেখা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখেই। তৃতীয়বারের জন্য ফের বাংলায় সরকার গঠন করতে চলেছেন তিনি। আগামীকাল, ৫ই মে সকাল পৌনে ১১টার সময় রাজভবনে শপথগ্রহণ করবেন তিনি। করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ছোটো করেই এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান সারা হবে বলে জানা গিয়েছে। এদিন এই শপথগ্রহণ অনুস্থানে আমন্ত্রিতদের তালিকায় থাকছেন অনেকেই।

সূ্ত্র থেকে প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে। তবে শারীরিক অসুস্থতার জন্য তিনি উপস্থিতি থাকবেন না বলেই জানা যাচ্ছে। এছাড়াও, আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি তথা ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কেও। তবে তিনিও আসবেন কী না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

আরও পড়ুন- শপথ গ্রহণের আগে আজ কালীঘাটের বাড়িতে বিকেল ৫টায় বৈঠক মমতার, কী আলোচনা হবে এই বৈঠকে?

এর পাশাপাশি আমন্ত্রিত রয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী, কংগ্রেস নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্য, প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নান, বিজেপি সাংসদ তথা রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, বিজেপি বিধায়ক মনোজ টিগ্গা, রাজ্য বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমান বসুকেও।

এছাড়া এই শপথগ্রহণের অনুষ্ঠানে তৃণমূলের তরফে উপস্থিত থাকতে পারেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, বিধায়ক সুব্রত মুখোপাধ্যায়, রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি, বিধায়ক পার্থ চট্টোপাধ্যায়, এবং ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর। তারকা সাংসদ দেব এবং শতাব্দী রায়কেও আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। তবে এবার অন্যান্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বা নেতা-নেত্রীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। দেশের করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলে খবর।

 আরও পড়ুন- ‘২রা মে-র পর থেকে পুলিশ নিজের কাজে গাফিলতি করছে’, রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় তীব্র তোপ বিজেপির

নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে তৃণমূল। ২১৩টি আসনে জয়ী হয়েছে তারা। তবে মমতা নিজের কেন্দ্র অর্থাৎ নন্দীগ্রাম থেকেই পরাজিত হয়েছেন। এরপর প্রশ্ন ওঠে, নিজের কেন্দ্রে হেরে যাওয়ার পরও কী তিনি মুখ্যমন্ত্রী হতে পারবেন? তবে সংবিধান বলছে, মমতার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পথে কোনও বাঁধা নেই। তবে আগামী ৬ মাসের মধ্যে তাঁকে একটি কেন্দ্র থেকে জয়লাভ করতে হবে।

You might also like
Comments
Loading...