রাজ্য

Exclusive: বড়োসড়ো ভাঙন কংগ্রেসে! কপিল সিব্বল, শশী থারুর সহ কংগ্রেসের আরো ২১জন বড় নেতা এবার আসতে চলেছেন ঘাসফুল শিবিরে!

রাজনীতির ময়দানে ক্রমাগত পালাবদল চলতেই থাকে। এক দলে দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে এরকম ব্যক্তি এখনকার দিনে কিন্তু বেশ কম পাওয়া যায়। বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলবদল এর খেলা প্রত্যেক বছর হয়।তবে চলতি বছর রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের আগে যেরকম দলবদল এর খেলা হয়েছে তার সাম্প্রতিক ইতিহাসে খুব কম দেখা গেছে। বর্তমানে যে দলবদল এর খেলা চলছে তাও বেনজির ঘটনা।

তবে এবার জানা যাচ্ছে একটি বিশেষ খবর। তা যদি ভবিষ্যতে সত্যি হয় তাহলে ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে ঘটবে অনেক বড় পালাবদল। কংগ্রেসের মধ্যে একটি গ্রুপ আছে যার নাম জি-টোয়েন্টি থ্রি। জাতীয় কংগ্রেসের ২৩ জন বড় মাপের প্রবীণ নেতাদের নিয়ে গঠিত এই গ্রুপ। তারা ২০২০ সালে জাতীয় কংগ্রেস দলের মধ্যে নতুন গণতান্ত্রিক শাসন আনতে চেয়েছিলেন। তারা চেয়েছিলেন কংগ্রেসকে ঢেলে সাজানো হোক। যদিও তাদের প্রস্তাব গৃহিত হয়নি।

দু’বছর আগে লোকসভা নির্বাচনে যখন রাহুল গান্ধী স্মৃতি ইরানির কাছে হেরে দলীয় সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দেন এবং তারপর যখন সোনিয়া গান্ধী সাময়িকভাবে পার্টি প্রেসিডেন্টের পদ গ্রহণ করেন তার পরেই জোরদার হয় এই জি-টোয়েন্টি থ্রি’র দাবি।পরবর্তীকালে জাতীয় কংগ্রেস বিভিন্ন রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে খারাপ ফল করতে থাকায় এই গ্রুপের দাবি আরো বাড়তে থাকে। কিন্তু তাদের এই দাবি এখনো পর্যন্ত শোনা হয়নি। তাই এখন শোনা যাচ্ছে যে এই ২৩ জন নেতা জাতীয় কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগদানের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

অনেকদিন ধরেই তারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন। তাই এবার হয়তো নিজেদের দাবি পূরণ না হলে তারা কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে চলে আসতে পারেন। এই জি-২৩ কমিটিতে ২৩ জন প্রবীণ নেতার মধ্যে বিশেষ উল্লেখযোগ্য কয়েকজনের নাম, কপিল সিব্বল, ভূপিন্দর সিং হুডা, শশী থারুর, রাজ বব্বর সহ আরো অনেকে। যদিও এখনও তৃণমূল দলে যোগদানের বিষয়ে তাদের সবুজ সংকেত দেয়নি। তবে এই ২৩ জন কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা যদি তৃণমূলে চলে আসেন তাহলে ভারতের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি বড়সড় বদল ঘটবে। দিল্লিতে তৃণমূল যে অত্যন্ত শক্তিশালী বিরোধী দল হিসেবে সামনে চলে আসবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা।

Related Articles

Back to top button