সব খবর সবার আগে।

চন্দননগরে জগদ্ধাত্রী পুজোয় নিষিদ্ধ পুষ্পাঞ্জলি! প্রতিমা নিরঞ্জনের সময় দুপুর ২ থেকে ৯টা, নির্দেশিকা প্রশাসনের

দুর্গা পুজোর পরেই আরও এক মাতৃপুজোর আনন্দে মেতে ওঠে একদা ফ্রেঞ্চ কলোনি হুগলির চন্দননগর (Chandannagar)। জগদ্ধাত্রী পুজোর জন্য যে শহরের বিশ্বজোড়া খ্যাতি। যে শহরের আলোয় মুগ্ধ‌ সবাই। এহেন চন্দননগরেই এবার জগদ্ধাত্রী পুজো হবে কি হবে না এ নিয়ে দোলাচল চলছিল। যদিও ঐতিহ্যে আপস করবে না বলে জানিয়ে দিয়েছিল চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটি গুলি। কিন্তু মানুষের উদ্বেগের শেষ নেই। বৃহৎকার মূর্তি হবে না ঘটে পুজো? প্রশ্ন ছিল অনেক।

কিন্তু এবার মুশকিল অনেকটা আসান করে দিয়ে দুর্গাপুজোর মতোই চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজোতেও (Jagadhatri Puja) নির্দেশিকা (guidelines) জারি করল রাজ্য প্রশাসন।

প্রশাসনিক বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, দুর্গাপুজোর মতোই খোলামেলা মণ্ডপ করতে হবে জগদ্ধাত্রী পুজোর ক্ষেত্রেও। একইভাবে মাস্ক ও স্যানিটাইজারের ব্যবস্থাও রাখতে হবে। প্যান্ডেলে থাকতে হবে স্বেচ্ছাসেবকদের। এই বছরের মতো মণ্ডপে গিয়ে পুষ্পাঞ্জলি দেওয়ার ব্যবস্থা বন্ধ রাখার দিকেই মত দিয়েছে প্রশাসন। চন্দননগরে জগদ্ধাত্রী পুজো মণ্ডপের ১০মিটার আগে থেকেই ব্যারিকেড করে দেওয়া হবে যাতে দর্শকরা প্রবেশ করতে না পারেন। একসঙ্গে ২৫ জনের বেশি মন্ডপে ঢুকতে পারবেন না বলে নির্দেশিকা জানানো হয়েছে। তবে কেউ মানত করে পুজো দিতে চাইলে তাঁর জন্য আলাদা ব্যবস্থা রাখতে হবে। এর পাশাপাশি স্পষ্ট করে দেওয়া হয়, এবার মণ্ডপে কোনও বাজনার ব্যবস্থা করা যাবে না। সর্বোচ্চ ১০জন ঢাকি থাকতে পারবেন। ঘটা করে ঘট বিসর্জন না হলেও কাঁধে করে প্রতিমা নিয়ে যাওয়ার রীতি আগের মতোই বহাল থাকবে। গাড়ির ব্যবস্থা হলে বেশি ভালো হয় বলেও জানানো হয়েছে।

একই সঙ্গে প্রতিমা নিরঞ্জনে পুজো কমিটিগুলির সদস্য ছাড়া বাইরের কাউকে থাকার অনুমতি দেওয়া হবে না বলে নির্দেশিকায় স্পষ্ট করা হয়েছে। গঙ্গার ঘাটে সর্বোচ্চ ১০জন থাকতে পারবেন। শোভাযাত্রা হবে একমুখী। দুপুর ২টোয় প্রতিমা নিয়ে শোভাযাত্রা শুরু করে রাত ৯টার মধ্যে বিসর্জন শেষ করতে হবে। প্রতিটি পুজো কমিটিকে শোভাযাত্রার জন্য নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেবে থানা।

তবে শুধু চন্দননগর নয় এই সময় কৃষ্ণনগরেও ঘটা করে জগদ্ধাত্রী পুজোর ঘট বিসর্জন হয়। দিনভর গোটা শহরে শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। কিন্তু করোনা কালকে মাথায় রেখে (COVID-19) প্রশাসনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এবার দিনভর ঘট বিসর্জনের শোভাযাত্রা করা যাবে না। কৃষ্ণনগরের ক্ষেত্রেও দুপুর ২টো থেকে রাত ৯টার মধ্যে শোভাযাত্রা শেষ করতে হবে।

_taboola.push({mode:'thumbnails-a', container:'taboola-below-article', placement:'below-article', target_type: 'mix'}); window._taboola = window._taboola || []; _taboola.push({mode:'thumbnails-rr', container:'taboola-below-article-second', placement:'below-article-2nd', target_type: 'mix'});
You might also like
Comments
Loading...