সব খবর সবার আগে।

জলপাইগুড়িতে দলীয় নেতা খুনের ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি তৃণমূল নেত্রী সুজাতা’র

দল বদলালেও অভ্যাস যায়নি সৌমিত্র খাঁ পত্নী সুজাতার। তৃণমূল শিবিরকে অস্বস্তিতে ফেলে জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়িতে তৃণমূল নেতা রঞ্জিত অধিকারী খুনের ঘটনায় এবার সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন তৃণমূল নেত্রী সুজাতা খাঁ। আর তাঁর দাবিকে স্বাগত‌ও জানালেন স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বও।

খুনের ঘটনাটি ঘটে ১৮ই জানুয়ারি। গত রবিবার রাতে দলের মিটিং সেরে বাড়ি ফেরার পথে আক্রান্ত হন ময়নাগুড়ির সাপ্টিবাড়ির রহমতুল্লাহ এলাকার বাসিন্দা রঞ্জিত অধিকারী। পরে তাঁর মৃত্যু হয়। ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর ফলে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করে তৃণমূল।

অবশ্যই সেই অভিযোগ ওঠে বিজেপির দিকে। শুরু হয়েছে পুলিশি তদন্ত। ইতিমধ্যেই চার বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতার‌ও করে ফেলেছে পুলিশ। আর এর মধ্যেই এই ঘটনাকে সিবিআই-এর হাতে তুলে দেওয়ার দাবি করে বসলেন তৃণমূল নেত্রী সুজাতা খাঁ।

তিনি বলেন, “বিজেপি খুন করেছে। তিনি একজন রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষ। আমি নিজেও একজন দলিত সম্প্রদায়ের মেয়ে। বিজেপি দলিত সম্প্রদায়ের ওপর ক্রমাগত আক্রমণ চালাচ্ছে। কী অপরাধ ছিল তাঁর? দলিত সম্প্রদায়ের মানুষ বলেই কি খুন? আমাদের পুলিশ, সিআইডি তো রয়েইছে। তবুও আমি একথাই বলব।”

তবে কি তৃণমূল নেত্রী হয়ে রাজ্য পুলিশের ওপরেই ভরসা নেই সুজাতার? এক্ষেত্রে তাঁকে সেই কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার ওপরেই ভরসা করতে হচ্ছে? প্রশ্ন তুলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।

তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে এই ঘটনায়, সুজাতা খাঁর বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছেন বিজেপি রাজ্য সহ সভাপতি দীপেন প্রামাণিক। তিনি বলেন, “এই ঘটনা নিয়ে যদি সিবিআই তদন্ত হয়, তবে আমরা নিশ্চিত এতে তৃণমূলের লোকেরা ধরা পড়বে।” তিনি দাবি করেন, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর থেকে এখনও পর্যন্ত বিজেপির ১৩৫ জন খুন হয়েছে। তারমধ্য ১১০ জন এসসি সম্প্রদায়ের।

 

You might also like
Comments
Loading...