রাজ্য

‘পুজোই তো মানে না, তাহলে পুজোতে স্টল কেন’, বামনেতাদের আটক হওয়ার ঘটনায় বামেদের পাল্টা দিল কুণাল ঘোষ

অষ্টমীর সন্ধ্যায় রাসবিহারীতে সিপিএমের (CPIM) বুকস্টল থেকে বামনেতাদের গ্রেফতার নিয়ে বেশ উত্তেজনা ছড়ায়। প্রতিবাদ সভা থেকে বামনেতাদের তুলে নিয়ে যায় যায় পুলিশ, এমন অভিযোগ উঠেছে। সেই ঘটনায় শাসক দলকে কটাক্ষ শানানো হয়েছে বামেদের তরফে। এবার এই নিয়ে পাল্টা আক্রমণ শানালেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)।  

এই ঘটনার পর তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, “বই নিয়ে মতবিরোধ কেন হবে? পুজোর ভিড়ে রাজনৈতিক প্ররোচনার প্রচার নিয়ে সমস্যা। তৃণমূল কংগ্রেসের স্টলও আছে। দৈনন্দিন রাজনীতি নেই সেখানে। সিপিআইএম পায়ে পা দিয়ে ঝগড়া করছে। পুজো মানে না, তা পুজোর দিন স্টল কেন? ওরা রবিবার করে স্টল করুক। বই পড়া, না পড়া নিয়ে কোনও ইস্যু হয়নি। নাটক করল ওরা”।

রাসবিহারীতে সিপিএম নিজেদের বুকস্টল দেয়। সেই স্টলে ‘চোর ধরো, জেলে ভরো’ স্লোগান লাগানো ছিল। এই স্লোগান দুর্গাপুজোর মধ্যে প্ররোচনা দেওয়ার সামিল বলে মনে করে পুলিশ। এই কারণে পুলিশ তাদের সেই স্টল সরিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানায়। কিন্তু তা মেনে নেয়নি বামেরা। অভিযোগ, এরপরই একদল দুষ্কৃতী হামলা চালায় স্টলে।

সিপিআইএম অভিযোগ করে যে ওই পোস্টার দেখেই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা ওই বিপণিতে হামলা চালিয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে অষ্টমীর দিন সন্ধ্যায় রাসবিহারী অ্যাভিনিউতে জমায়েত করেন কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায় থেকে শুরু করে সিপিআইএম সাংসদ বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য, রবীন দেব, কল্লোল মজুমদার, গৌতম গঙ্গোপাধ্যায়রা প্রমুখরা। সেই বই বিপণন ফের চালু করা নিয়ে পুজো কমিটির সঙ্গে গোল বাঁধে বলে অভিযোগ। সেই সময় বাম নেতাদের গ্রেফতার করে পুলিশ।

এই ঘটনা প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষ বলেন, “পুজোর সময় প্ররোচণামূলক ব্যানার কেন লাগানো হবে। আমরা তো সিপিআইএমকে বলি গণহত্যার নায়ক। পুজোর সময় কি সেসব টাঙিয়ে রাখব? বুদ্ধবাবু বলেছিলেন ‘চোরেদের মন্ত্রিসভা’, সে সব কথা পুজোর সময় সামনে আনা হয়েছে?‌ একসময় জাগো বাংলার স্টল ভেঙে দেওয়া হয়েছিল, সেটা তৃণমূল ভোলেনি। প্ররোচণামূলক কাজ দেখলে পুলিশ কড়া ব্যবস্থা নিতেই পারে”।

Related Articles

Back to top button