রাজ্য

আগামী মার্চে একসঙ্গে হোক মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক, সুপারিশ গেল শিক্ষা দপ্তরে

করোনা অতিমারিতে এখনো পর্যন্ত বন্ধ রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। গত মার্চ মাস থেকেই দেশের সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে এবং তার ফলে ধীরে ধীরে পড়ুয়াদের পঠন-পাঠনে কিন্তু অনেক ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কেউই পড়াশোনা শুরু করার জন্য সাহস দেখাচ্ছেন না।পড়াশোনা বলতে দেশে এখন একমাত্র অনলাইন ক্লাস এবং অনলাইন পরীক্ষাই চলছে।

এই বছরের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা করোনা পরিস্থিতিতে নেওয়া যায় নি সম্পূর্ণভাবে। এখনো পর্যন্ত দশম একাদশ দ্বাদশ সহ কোনো শ্রেণির পঠন-পাঠন শুরু হয়নি।ফলে আগামী বছর মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক নিয়ে কী হবে তা জানা যাচ্ছে না।

সাধারণত প্রতিবছর ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে মাধ্যমিক হয় এবং উচ্চমাধ্যমিক হয় মার্চ মাসে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে আগামী বছর মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক কবে হতে পারে সেই নিয়ে একগুচ্ছ সুপারিশ শিক্ষা দপ্তরে পাঠালো শিক্ষকদের সংগঠন স্টেট ফোরাম অফ হেডমাস্টার্স অ্যান্ড হেডমিস্ট্রেসেস।

কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে গত সেপ্টেম্বরে স্কুল কলেজ খোলা নিয়ে যে নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছিল তার চলতি মাস পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন যে কালীপুজো মিলে পশ্চিমবঙ্গে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়খোলা হতে পারে। তবে স্কুলের পঠন পাঠন কবে শুরু হবে সেই নিয়ে এখনো চলছে বিস্তারিত আলাপ আলোচনা।

এই করোনা পরিস্থিতি এবং বিধানসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে আগামী বছর মার্চ মাসের মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক একসঙ্গে নেওয়ার প্রস্তাব দিল এই ফোরাম। এক্ষেত্রে একই সঙ্গে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা একদিন অন্তর নেওয়া, পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং আলাদা আলাদা কেন্দ্রে একই দিনে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক নেওয়া যায় কি না, তা ভেবে দেখার জন্য ফোরামের তরফে শিক্ষা দপ্তরের কাছে আবেদন করা হয়েছে।

সেইসঙ্গে মোট সিলেবাসের ৭০% নিয়ে নতুন করে সিলেবাস তৈরি এবং নম্বর বিভাজন প্রক্রিয়ার নিয়েও নিজেদের আবেদন জানিয়েছে এই ফোরাম। এছাড়া মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার mcq প্যাটার্নের করা যায় কিনা তা নিয়েও শিক্ষাদপ্তর বিবেচনা করতে আর্জি জানিয়েছে এই শিক্ষক সংগঠনটি।

Related Articles

Back to top button