রাজ্য

‘কেউ যদি আঘাত পেয়ে থাকে, সেটা আমি, আমার কাছেই ক্ষমা চাওয়া উচিত’, কালী বিতর্ক নিয়ে ফের বিস্ফোরক দাবী মহুয়া মৈত্রের

‘কালী’ তথ্যচিত্রের বিতর্কিত পোস্টার  (controversial poster) নিয়ে গোটা দেশেই কার্যত বেশ শোরগোল পড়েছে। সেই নিয়ে বাংলার রাজনীতিতেও তৈরি হয়েছে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি। বিতর্কিত এই পোস্টার নিয়ে তথ্যচিত্রের পরিচালকের পাশে দাঁড়ান তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। আর এরপরই শুরু হয় আরও বড় বিতর্ক।

মহুয়া মৈত্র বলেছিলেন, “আমার কাছে কালী মানে যিনি মাংস ভক্ষণ এবং সুরা গ্রহণ করেন। নিজের ভগবানকে তুমি কীভাবে দেখতে চাও তা কল্পনা করার অধিকার রয়েছে। কিছু জায়গা রয়েছে যেখানে ভগবানকে হুইস্কি দেওয়া হয়, আবার কিছু কিছু জায়গায় তা ভগবানের অপমানের সমান”।

মহুয়া মৈত্রের এহেন মন্তব্যের কারণে প্রতিবাদ জানায় বিজেপি। এমনকি, তৃণমূল নেত্রীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করাও হয়। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আমরা রাজ্য সরকারকে ১০ দিনের সময় দিচ্ছি। এর মধ্যে পদক্ষেপ না নিলে আমরা আদালতে যাব”।

এরপর এক সাক্ষাৎকারে তৃণমূল সাংসদ বলেন, “আমি কালীর উপাসক। কোনও কিছুতে ভয় পাই না। বিজেপি যা করতে পারে করে নিক। আমি তোমাদের অজ্ঞতাকে ভয় পাই না, তোমাদের গুন্ডাদের ভয় পাই না, তোমাদের পুলিশকে ভয় পাই না, তোমাদের সমালোচনাকে তো নয়ই”।

একদিকে মহুয়া মৈত্রের এমন বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে তাঁকে যখন প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবী তোলা হয়েছে, সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে নিজের মন্তব্যে অনড় তৃণমূল নেত্রী। বরং সম্প্রতি মহুয়া মৈত্রর দাবী, , “কালী বিতর্কে যদি কেউ আঘাত পেয়ে থাকে, তাহলে সেটা আমি। এক্ষেত্রে ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্ন উঠছে না। কিন্তু আমি বলতে চাই যে, আমি কখনোই ক্ষমা চাইবো না বরং আমার কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত”।

আর এরপরেই বিজেপিকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “বর্তমানে আমাকে ক্ষমা চাওয়ার ব্যাপারে একাধিক মন্তব্য করা হচ্ছে। তবে আমি বলব যে, এই বিতর্কে যদি কেউ আঘাত পেয়ে থাকে, সেটা আমি। ফলে আমার কাছে বরং ওদের ক্ষমা চাওয়া উচিত”।

এর আগেমহুয়া মৈত্র এও বলেছিলেন, “বিজেপি বাংলার যে কোনও থানায় অভিযোগ দায়ের করুক আমার বিরুদ্ধে। সেই থানার পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে একটি কালী মন্দির পাওয়া যাবে। তারা জানুক সেখানে কী দিয়ে দেবীকে পুজো করা হয়”।

Related Articles

Back to top button