সব খবর সবার আগে।

বাংলায় আমফান পরবর্তী ভয়াবহ বিপর্যয় দেখে জল রাষ্ট্রপতির, পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন নবীনও

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

আমফানের এক ধাক্কায় তছনছ হয়ে গেল কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা। আজ রাজ্যসফরে এসে ঝড় বিধ্বস্ত এলাকাগুলিকে আকাশপথে পর্যবেক্ষণ করেন প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী। ঝড়ের ভয়াবহতা দেখে স্বয়ং হতবাক হয়ে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। কেন্দ্র-রাজ্য বিরোধীতা ভুলে সাহায্যের আর্জি জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে। সেই ডাকে সাড়া দিয়ে প্রধানমন্ত্রীও আজ পরিস্থিতি দেখতে আসেন। ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবলীলা দেখে নির্বাক হয়েছে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দও। মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন করে তিনি জানান, বাংলার এই ভয়াবহ বিপর্যয় দেখে তাঁর চোখে জল এসে গেছে।

মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়কও ফোন করে ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী পরিস্থিতির বিষয় খোঁজ নেন। বাংলার মত এত ভয়াবহ না হলেও ওড়িশাতেও আমফানের প্রভাব পড়েছে। অন্যদিকে ওপার বাংলা থেকেও যোগাযোগের চেষ্টা চলছে। ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী পরিস্থিতি জানতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও। তবে নেটওয়ার্ক সমস্যা থাকায় তা এখনও সম্ভবপর হয়নি বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

আমফানে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ত্রাণের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর তহবিলে ৫০ লক্ষ টাকা দান করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে কতটা ক্ষতি হয়েছে তা নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট তৈরির আগেই অনুদানের কথা জানান রাজ্যপাল।

শুক্রবার কলকাতা বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারে উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার আমফান বিপর্যস্ত এলাকা আকাশপথে ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর সঙ্গী হন মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপালও। সকাল সকাল ট্যুইট করে রাজ্যপাল জানান, তিনিও সঙ্গী হবেন মোদী-মমতার। বিপর্যস্ত এলাকা কপ্টারে ঘুরে দেখবেন।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.