সব খবর সবার আগে।

বাংলায় কি লাগু হবে রাষ্ট্রপতি শাসন? কি জানালেন জেপি নাড্ডা? পড়ুন বিস্তারিত

বাংলা বিধানসভা নির্বাচনে বিরাট ব্যবধানে বিজেপিকে হারানোর পর বাংলা জুড়ে চলছে অশান্তি। তৃণমূলের হাতে নির্বিশেষে আক্রান্ত হচ্ছে বিজেপি- সিপিএম’এর কর্মী সমর্থকরা।

ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকেই বাংলা জুড়ে অশান্তির ছবি। চলছে অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগের পালা। বাংলার এইরকম উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার দু’দিনের জন্য বঙ্গ সফরে এসেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। তৃণমূলের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক হিংসার অভিযোগ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শপথ গ্রহণের দিন থেকেই দেশজুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করছে বিজেপি। গতকাল তিনি অভিযোগ করেন, ‘পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের পর যে ঘটনার সাক্ষী থাকলাম, তাতে আমরা হতবাক, আমরা চিন্তিত। দেশভাগের সময় এরকম ঘটনার কথা শুনেছিলাম। ভোটের পর স্বাধীন ভারতে আমরা কখনও এরকম ঘটনা দেখিনি।’ একইসঙ্গে তিনি জানান, ‘আমরা মতাদর্শগত লড়াই এবং তৃণমূল কংগ্রেসের কাজকর্মের বিরুদ্ধে লড়াই করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা গণতান্ত্রিকভাবে লড়াই করতে প্রস্তুত।’

আরও পড়ুন- ‘ভোটে হেরেও মুখ্যমন্ত্রী হলেন, রাজ্যে এর আগে এমন হয়নি’, মমতাকে তীব্র তোপ শুভেন্দুর

এই সফরে আক্রান্ত একাধিক পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছেন বিজেপি সভাপতি।
এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি বলেন, ‘আজ আমার ১৯৪৬ সালের ১৬ই অগাস্ট ডায়রেক্ট কথা মনে পড়ছে। সেদিনের মতোই আজ বাংলার মাটি রক্তে ভেজা। রাজ্যে কার্যত গণহত্যা শুরু হলে‌ও জেতার ৩৬ ঘণ্টা মুখ বন্ধ করে বসে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এতে বোঝা যায় হিংসায় তাঁর মদত রয়েছে। তৃতীয় দফায় দুহাতে রক্ত মেখে সিংহাসনে বসলেন মমতা।’

জেপি নাড্ডা অভিযোগ করে বলেন, তৃণমূল মূলত তৃণমূল স্তরের বিজেপি কর্মীদের ওপর আক্রমণ করছে। শুধু তাই নয়, তাদের পরিবারের ওপরেও হামলা হচ্ছে। মহিলাদের শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের অভিযোগ এসেছে। এতে প্রমাণিত হয় ভোটের আগে আমরা মহিলা সুরক্ষা নিয়ে যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলাম তা সম্পূর্ণ সত্য। তিনি জানান, ক্যানিং-গোসাবার মতো এলাকায় গ্রামের পর গ্রাম আক্রান্ত। গোটা গ্রাম ছেড়ে পালিয়েছে মানুষজন। কোচবিহার থেকে মানুষ অসমে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে।

আরও পড়ুন- মমতার ছবিতে কালো কালি, ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনার প্রতিবাদে তৃণমূল অফিসের সামনে বিজেপির ছাত্র পরিষদ

তবে এই পরিস্থিতিতে বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারির কথা দিলীপ ঘোষ বললেও অন্য কথা শোনা যায় সর্বভারতীয় সভাপতির মুখে। তিনি বলেন এই বিষয়টা সম্পূর্ণ ভাবেই রাজ্যপাল ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের মধ্যেকার। রাজ্যপালের রিপোর্ট অনুযায়ী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সিদ্ধান্ত নেবে। আমরা দল হিসেবে সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক উপায়ে তৃণমূলের হামলার বিরোধিতা করবো।

You might also like
Comments
Loading...