রাজ্য

দুয়ারে খাবার! মমতার নির্দেশে এবার রান্না করা খাবার বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেবে রাজ্য সরকার, কারা পাবেন এই পরিষেবা?

গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে করোনার তৃতীয় ঢেউ। পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতিও বেশ ভয়ঙ্কর। এরই মধ্যে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে করোনার নয়া স্ট্রেন ওমিক্রন। এর জেরে রাজ্যে করোনা বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। নেওয়া হচ্ছে কড়া প্রশাসনিক পদক্ষেপ।

এমন আবহে এবার দুঃস্থ করোনা রোগীদের বাড়ি বাড়ি খাবার পৌঁছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল মমতা সরকার। এবার করোনা রোগীদের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যাবে রান্না করা খাবার। গতকাল, রবিবার বাংলার গর্ব মমতা টুইটার হ্যান্ডেল থেকে এমনটাই টুইট করে জানানো হয়েছে।

টুইটারে জানানো হয়েছে, “রাজ্য পঞ্চায়েত এবং গ্রামীণ উন্নয়ন বিভাগ কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় কোভিড-সংক্রমিত ব্যক্তিদের হোম ডেলিভারি পরিষেবার মাধ্যমে সুষম খাদ্য সরবরাহের সিদ্ধান্ত নিয়েছে”। আজ, সোমবার থেকেই এই পরিষেবা শুরু হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

করোনা পরিস্থিতির কারণে অনেক এলাকাতেই বাজার বন্ধ। কনটেনমেন্ট জোন এলাকায় বন্ধ দোকানপাটও। অনেক ক্ষেত্রে একই পরিবারের সকলে করনাব আক্রান্ত হয়ে পড়ছেন। সেক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগের ফলে অনেক মানুষই উপকৃত হবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

নবান্ন সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই রাজ্যের প্রত্যেক জেলাশাসকদের আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা করোনা আক্রান্তদের বাড়ি বাড়ি খাবার পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজ্য পুলিশও এই কাজ করবে বলে জানানো হয়েছে। করোনা আক্রান্ত কোনও মানুষ যাতে অভুক্ত না থাকে, এই কারণে রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগ।

এর আগেও দেশজুড়ে লকডাউন চলাকালীন মানুষের হাতে খাবার তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল রাজ্য সরকারের তরফে। এবারও যাতে অসহায় মানুষ খাবার পান, তা জেলাশাসকদের দেখার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যসচিব এইচ কে দ্বিবেদী।

নবান্ন সূত্রে খবর, প্যাকেট করে চাল, ডাল, মুড়ি, বিস্কুটের মতো শুকনো খাবার বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে। জেলাশাসকদের বলা হয়েছে, মাথাপিছু তিন কেজি করে চাল, দেড় কেজি ডাল, এক কেজি মুড়ি, পাঁচ প্যাকেট বিস্কুট দিয়ে প্যাকেট তৈরি করতে।

শুকনো খাবারের পাশাপাশি রান্না করা খাবারও পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে যে পরিবারের সকলে করোনা আক্রান্ত। করোনা আক্রান্তের পক্ষে রান্না করা সম্ভব হচ্ছে না অনেক ক্ষেত্রেই। অথচ সুস্থ হতে ওষুধের পাশাপাশি দরকার সঠিক পথ্যও। এই কারণেই রাজ্য সরকারের তরফে এই উদ্যোগ।

Related Articles

Back to top button