রাজ্য

বাঁকুড়ায় কর্মসূচিতে মিঠুন! বিজেপি বিধায়ক চন্দনা বাউরির বাড়িতে ডাল-আলুপোস্ত দিয়ে জমিয়ে মধ্যাহ্নভোজ সারলেন মহাগুরু

গতকাল ছিল পুরুলিয়া, আজ বাঁকুড়া। পাঁচদিনের রাঢ়বঙ্গের সফরে রাজ্যে এসেছেন বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী। আর আজ বাঁকুড়ার কেলাই গ্রামে গিয়ে বিজেপি বিধায়ক চন্দনা বাউরির বাড়িতে হাজির হলেন তিনি। নিজের ‘স্বপ্নের নায়ক’কে নিজের বাড়িতে দেখে বিশ্বাসই যেন করে উঠতে পারছিলেন না চন্দনা। মিঠুনকে ফুল দিয়ে, উত্তরীয় পরিয়ে স্বাগত জানালেন বিধায়ক।

আজ, বৃহস্পতিবার বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাটি ব্লকের দুর্লভপুরের একটি বেসরকারি লজে দলের সাংগঠনিক বৈঠক করেন মিঠুন চক্রবর্তী। বৈঠকের ফাঁকেই বেলা আড়াইটে নাগাদ বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকারকে নিয়ে তিনি হাজির হন চন্দনার কেলাই গ্রামের বাড়িতে। তাঁকে চোখের দেখা দেখতে আশপাশের গ্রামের বহু মানুষ জড়ো হয়েছিলেন।

মিঠুনের আতিথেয়তায় কোনও ত্রুটি রাখেন নি চন্দনা। নিজের হাতেই নানান পদ রান্না করেছিলেন তিনি মহাগুরুর জন্য। আবার সাংগঠনিক বৈঠকে যোগও দিতে গিয়েছিলেন তিনি। এদিন মধ্যাহ্নভোজে মহাগুরুর পাতে ছিল ভাত, মাছ, পাঁচমেশালি তরকারি, ডাল ও মিঠুনের পছন্দের আলু পোস্ত।

এদিন খাওয়ার মাঝে মিঠুন বলেন, “এ খাবারে মিশে রয়েছে ভালবাসা। এ খাবার এমনিই ভাল হয়ে যায়। এটাই আমার পছন্দের খাবার। চন্দনা নিজে হাতে শালপাতা তৈরি করে এনে তাতে আমায় খেতে দিয়েছে”।

চন্দনার কথায়, তিনি মিঠুনকে খাওয়াতে পেরে খুব খুশি। তিনি বলেন, “ছোটবেলায় টিভির পর্দায় মহাগুরুকে দেখেছিলাম। ভাবতে পারিনি তিনি কোনও দিন আমার বাড়িতে আসবেন বা আমার হাতের রান্না খাবেন। নিজে হাতে তাঁকে খাবার পরিবেশন করে আমি ধন্য”।

বরাবরই সাধারণ জীবনযাপন করেন চন্দনা। বিধায়ক হওয়ার পরও তাঁর জীবনযাত্রায় কোনও পরিবর্তন আসে নি। তাঁর এই সাদামাটা জীবনযাপন নজর কেড়েছিল খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীরও। বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাঁকুড়ায় প্রচারে গিয়ে চন্দনাকে আশীর্বাদ করেছিলেন তিনি।

প্রসঙ্গত, পরপর পাঁচদিনের জেলা সফরে বাংলায় এসেছেন মিঠুন চক্রবর্তী।  গতকাল, বুধবার পুরুলিয়া থেকে শুরু হয় তাঁর কর্মসূচি। সেদিন দলীয় কর্মী ফাল্গুনী চত্তপাধায়ের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সেরেছিলেন তিনি। আর আজ পালা ছিল চন্দনা বাউরির বাড়ি।

Related Articles

Back to top button