সব খবর সবার আগে।

ধন্য রাজনীতি! হোম যজ্ঞ করে শ্রাদ্ধ হয়ে গেল মুকুল রায়ের!

বাংলা রাজনৈতিক মঞ্চে তাকে চাণক্য বলে অভিহিত করা হয়। বঙ্গের সংগঠন থেকে শুরু করে রাজনৈতিক দলবদল সব বিষয়েই তিনি মধ্যমণি। মুকুল রায়, প্রাক্তন বিজেপি সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক গত সপ্তাহে পদ্মফুল ছেড়ে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে বঙ্গে ১৯জন গেরুয়া সাংসদ আনার ক্ষেত্রে মুকুল রায়ের ভূমিকা সবথেকে বেশি।

সেই মুকুল রায় ঘাসফুল শিবিরে যোগ দেওয়ার পরেই মঙ্গলবার মুরলিধর সেন স্ট্রিটে দলের রাজ্য সদর দফতরের সামনে মুকুল রায়ের শ্রাদ্ধ করেন ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার কর্মীরা। তাদের দাবি, মুকুল রায় তাদের কাছে অস্তিত্বহীন।সোমবার ফুল মালা ধুপ জ্বালিয়ে মন্ত্রোচ্চারণ করে মুকুল রায়ের ছবি রেখে পারলৌকিক ক্রিয়া করেন বিজেপি কর্মীরা।

যুব মোর্চার এক কর্মী বললেন, মুকুল রায় মিরজাফর। ওকে দলে এনে সম্মান দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু উনি পিছন থেকে ছুরি মেরেছেন। আমাদের কাছে উনি মৃত। তাই ওনার আত্মার শান্তি কামনায় সনাতন রীতি মেনে পারলৌকিক কাজ করছি।

তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশ অবশ্য কিছু অতিতৎপর যুব কর্মীর কাণ্ড বলে দেখতে নারাজ। মুকুল রায় দল ছাড়ার পরেই বি জে পি নেতা সৌমিত্র খাঁ, মাথা মুড়াবেন বলে জানিয়েছিলেন। মুকুল অনুগামী এই নেতা মুকুলের হাত ধরেই তিনি পদ্ম শিবিরে আসেন।

সৌমিত্র খাঁ-র মস্তকমুণ্ডনের প্রতিজ্ঞা শুনে রাজ্য নেতারা তাকে বুঝিয়ে শান্ত করেন, কারণ এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে।এর পর সৌমিত্র খাঁ জানান, বাবা-মা জীবিত। তাই বাবা মাথা ন্যাড়া করতে বারণ করেছেন। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, দলের প্রতি নিজের আনুগত্য প্রকাশ করতে সৌমিত্রর নির্দেশেই এদিন মুকুলের শ্রাদ্ধশান্তির আয়োজন। বর্তমানে সৌমিত্রর গুরুত্ব বেড়েছে পদ্ম শিবিরে। সম্প্রতি দিল্লি গিয়েছিলেন তিনি। তাই মুকুলের প্রতি তার ভালোবাসা শেষ এই বিষয়টি প্রমাণে মরিয়া তিনি।

_taboola.push({mode:'thumbnails-a', container:'taboola-below-article', placement:'below-article', target_type: 'mix'}); window._taboola = window._taboola || []; _taboola.push({mode:'thumbnails-rr', container:'taboola-below-article-second', placement:'below-article-2nd', target_type: 'mix'});
You might also like
Comments
Loading...