সব খবর সবার আগে।

মুসলিম যুবকের ফাঁদে হিন্দু তরুণীরা, একাধিক প্রেমিকা খুনের পরও নির্লিপ্ত প্রেমিক, মমতার রাজ্যে নারীদের সুরক্ষা কোথায়?

শেষমেশ যে সেই নির্লিপ্ত চুপচাপ থাকা যুবকটিই তার প্রেমিকার খুনী, তা প্রথমে ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি পুলিশ। সে জানিয়েছিল যে প্রেমিকার নিখোঁজ হয়ে যাওয়ায় তার মাথা কাজ করছে না, সে কিছুই জানে না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত জেরায় স্বীকার করতে বাধ্য হয় যে সেই ঠাণ্ডা মাথায় খুন করেছে তার প্রেমিকাকে।

এই ঘটনার তদন্তে নেমে চক্ষু ছানাবড়া হয়ে যায় পুলিশের। এই যুবকই যে চার মাসের মধ্যে পরপর দুই প্রেমিকাকে খুন করেছে, তা বুঝতে বেশ বেগ পেতে হয় পুলিশকে। কারণ শিলিগুড়ির মাটিগাড়ার মহম্মদ আখতারকে দেখে বোঝারই জো ছিল না যে এই খুনের নেপথ্যে রয়েছে সে। শুধু সূচনা মণ্ডলই নন, অন্য আরও এক প্রেমিকাকে খুন করেছে আখতার।

ঘটনাটি ঠিক কী?

আসলে কিছুদিন আগেই মাটিগাড়া জোড়াব্রিজের তরুণী সূচনা মণ্ডল নিখোঁজ হয়ে যান। শিলিগুড়ির মাটিগাড়া থানায় অভিযোগ জানায় তাঁর পরিবার। তদন্তে নেমে নানান পরিচিতদের সঙ্গে কথা বলতেই উঠে আসে মহম্মদ আখতারের নাম। আখতারের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল সূচনার। এরপর থেকেই ওই যুবকের উপর নজর রাখা শুরু করে পুলিশ।

আখতারকে জেরা করা শুরু হলে প্রথমের দিকে কিছুটা নির্লিপ্তই ছিল সে। এরপর সে জানা সে কিছুই জানে না। তার মাথা কাজ করছে না। প্রেমিকার কোনও খোঁজ সে জানে না। এরপর দফায় দফায় জেরা শুরু হলে শেষমেশ ভেঙে পড়ে সে।

পুলিশ সূত্রের খবর, আখতার জানায় সূচনার সঙ্গে তার সম্পর্ক প্রথমের দিকে ভালোই চলছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে সম্পর্কে তিক্ততা বাড়ছিল। মাস চারেক আগে ঝগড়া চলাকালীন সূচনার শ্বাসরোধ করে খুন করে আখতার। আর প্রমাণ লোপাটের জন্য সূচনার দেহ পুঁতে দেয় রেললাইনের ধারে।

এই তথ্য জানানোর পাশাপাশি আখতার এও জানায় যে শুধু সূচনাই নয়, আরও এক প্রেমিকাকে সে খুন করেছে। ১লা সেপ্টেম্বর মাটিগাড়া থেকে চাঁদমণি চা বাগানের বাসিন্দা অনিতা মাহালির দেহ উদ্ধার হয়। অনিতার মা অভিযোগ করেছিলেন যে তাঁর স্বামীই তাঁকে খুন করেছে। কিন্তু তদন্তে নেমে জানা যায়, আখতারের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল অনিতারও। ৩১শে আগস্ট রাতে তাঁকে খুন করে একই ভাবে তাঁর দেহও পুঁতে দিয়েছিল আখতার।

You might also like
Comments
Loading...